এবি ব্যাংকের আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের নামে সিঙ্গাপুরে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের সঙ্গে আরব বাংলাদেশ ব্যাংকের (এবি ব্যাংক) সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ এবং ব্যবসায়ী সাইফুল হকসহ আট জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার প্রধান অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করে আদালতে আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার আবেদন করেন। পরে কমিশনের বৈঠকে আট জনের  বিরুদ্ধে  অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করার অনুমোদন দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ চৌধুরী, মো. ফজলুর রহমান, এবি ব্যাংকের গ্রাহক আটলান্টিক এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হক ছাড়াও যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হচ্ছে তারা হলেন, সাবেক হেড অব ফিন্যান্সিয়াল অ?্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, এবি ব্যাংকের হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, হেড অব ফিন্যান্সিয়াল অ?্যান্ড ট্রেজারি মোহাম্মদ মাহফুজ উল ইসলাম এবং এবি ব্যাংকের পরিচালক সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন। ব্যাংকটির জ্যেষ্ঠ ভাইস  প্রেসিডেন্ট মো. নুরুল আজিমকে মামলার আসামি করা হলেও চার্জশিট থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারে আছে, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের নামে মোট ২০.০২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১৬৫ কোটি টাকা এবি ব্যাংকের চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখা থেকে দুবাইয়ে পাচার করে এবং পরে তা আত্মসাত্ করে। কথিত ঐ বিনিয়োগ এবং অর্থ আত্মসাতের নেপথ্যে ব্যাংকের গ্রাহক আটলান্টিক এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হকের প্রধান ভূমিকা ছিল। এক সময় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে কাজ করা সাইফুল হকের এবি ব্যাংকে কোনো অংশীদারিত্ব নেই।