দেবে গেছে মাঝের পিলার ঝুঁকি নিয়ে চলছে স্থানীয়রা

শ্রীমঙ্গলে আলিশা ছড়ার ব্রিজ

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের সরকারবাজার থেকে আলিশা গ্রামে যাওয়ার পথে আলিশার ছড়ার ওপরে নির্মিত এলজিইডির আওতাধীন পাকা ব্রিজটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ছড়ায় দেবে গেছে ব্রিজটির মধ্যভাগের একটি পিলার।

এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজটির ওপর দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার গ্রামবাসী শহর ও গ্রাম্য হাটে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করছেন। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা জানান, পূর্বে গ্রামবাসীর পারাপারের জন্য এখানে একটি বাঁশের সাঁকো ছিল। ১৯৯৭ সালের দিকে স্থানীয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের অর্থায়নে এখানে পাকা ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সাত/আট বছর পূর্বে ব্রিজটির মধ্যভাগের পিলারটি ছড়ার পানিতে দেবে যায়। আজ পর্যন্ত ব্রিজটির আর কোনো উন্নয়ন হয়নি।

বাদে আলিশা গ্রামের বাসিন্দা করম আলী ও আলম উল্ল্যাহ জানান, বাদে আলিশা হতে আলিশারকূল পর্যন্ত গ্রামের ভেতর দিয়ে চলে গেছে এসএ খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত প্রায় ৬ ফুট প্রশস্ত একটি কাঁচা রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত্ দুই গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে আসছেন। কয়েক বছর ধরে ব্রিজটির বেহাল দশার কারণে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে এ রাস্তায় চলাচল করছেন গ্রামবাসী।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ইউনুছ আলী, লাতা মিয়া ও লিটন মিয়া বলেন, ব্রিজের এক পাশে বাদে আলিশা মসজিদ অন্য পাশে রাজপাড়া মডেল মাদ্রাসা। এছাড়াও দুই গ্রামের মানুষকে হাটবাজার, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালে যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এ ব্যাপারে ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. চেরাগ আলী বলেন, ব্রিজটি পুনর্নির্মাণে ইউনিয়ন অফিস হতে উপজেলা এলজিইডি অফিসে প্রায় এক বছর আগে আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কাজের কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সঞ্জয় মোহন সরকার বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। আলিশার ছড়ার ওপর ব্রিজ নির্মাণ কাজের অগ্রগতির জন্য আমাদের হেড কোয়ার্টারে ফাইল জমা করা হয়েছে। রাস্তার গুরুত্বের ওপরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে ব্রিজটিতে কাজ শুরু হবে।