ইত্তেফাক রিপোর্ট
বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সাংবাদিক আবুল মকসুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ এতবার বাজানো হয়েছে যে, আমার মনে হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো দেশে কোনো ভাষণ এতবার বাজানো হয়নি। বঙ্গবন্ধু সেদিন যে ভাষণ দিয়েছিলেন তার ভাষণে চেতনা ছিল, তিনি একজন গণতান্ত্রিক নেতা। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ও স্বাধীনতা আন্দোলন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল মকসুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার ছিল। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রত্যেকটি কথা বিশ্বের প্রতিটি মাধ্যম ও বিশ্বনেতারা গুরুত্ব দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু তার দুই শত্রু ভুট্টো ও ইয়াহিয়াকে নিয়ে সংযত ভাষায় কথা বলেছেন। সংযম আর পরিমিতিবোধ প্রকাশ করা হয়েছে তার এই ভাষণে। শতাব্দীর পর শতাব্দী বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিয়ে কথা হবে।
সেমিনারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর, তিনি যখন ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন তখনই লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলেন। ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা, পরবর্তীতে মুসলিম আওয়ামী লীগ, যুক্তফ্রন্ট ; তারপরে ১৯৬২ সালের আন্দোলন, সমস্ত সংগ্রামের লক্ষ্য এক জায়গায় ছিল। যা ১৯৬৬ সালে ছয় দফা দাবির মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ পায়। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণের মধ্যে সবই আছে। সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হারুণ হাবীব, জাতীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, কোষাধ্যক্ষ শ্যামল দত্ত প্রমুখ।