আরো পাঁচ লাশ উদ্ধার, বর বেঁচে গেলেও কনেসহ এখনো নিখোঁজ ৩

রাজশাহীর শ্রীরামপুর এলাকায় পদ্মায় বর-কনেসহ দুইটি নৌকাডুবির ঘটনায় শনিবার নারী ও শিশুসহ আরো পাঁচটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরা হলেন, কনের আত্মীয় শামীম (৩৫) ও তার মেয়ে রুশনি (৮), চাচী মনি খাতুন (৪৪), খালাতো ভাই এখলাস (২২) ও দুলাভাই রতন (৩৫)। এ নিয়ে শুক্রবার রাতে এক জনসহ ছয় জনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। শনিবার বিকালে শামীম ও তার মেয়ে রুশনির লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুপুরে রতন ও এখলাসের এবং সকালে মনি বেগমের লাশ উদ্ধার হয়। বর চরখিদিরপুর গ্রামের মৃত ইনছার আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান রুমন (২৫) সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে বাঁচেন। তবে কনে পূর্ণিমাসহ এখনো তিন জন নিখোঁজ রয়েছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পদ্মার ওপারে চরখিদিরপুর থেকে একটি নৌকা নববধূ-বরকে নিয়ে এপারে ফেরার পথে শ্রীরামপুর এলাকায় বাঁক ঘুরতে গিয়ে অপর একটি নৌকার সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। এতে দুইটি নৌকাই ডুবে যায়। দুইটি নৌকায় ১৭ নারী ও ছয় শিশুসহ অন্তত ৩৮ যাত্রী ছিল বলে জানা যায়। নৌকাডুবির কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আবু আসলামকে ঐ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। গতকাল রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শোকার্তদের সান্ত্বনা দেন রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, পবা-মোহনপুরের এমপি আয়েন উদ্দিন ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক। এ সময় জেলা প্রশাসক নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিত্সার ব্যয় বহনের ঘোষণা দেন।