ইত্তেফাক রিপোর্ট
চলতি বছর হজ ফ্লাইট শুরু হবে ২৩ জুন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৯ জিলহজ ১৪৪১ হিজরি মোতাবেক ৩০ জুলাই পবিত্র হজ পালিত হবে। তবে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস আতঙ্কে নিবন্ধন করছেন কম লোক। ২ মার্চ থেকে হজ নিবন্ধন শুরু হলেও করোনা ভাইরাস আতঙ্কে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
গতকাল দুপুর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২৫ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মাত্র ৮৪৮ জন নিবন্ধন করেছেন। চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন পবিত্র হজে যাবেন। সে হিসেবে নিবন্ধন হতাশাজনক। গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হজ-২০২০ নিবন্ধন কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ চলতি বছর হজ গমনেচ্ছু হজযাত্রীদের নির্ভয়ে ব্যাংকে টাকা পরিশোধ করে আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বা অন্য কোনো কারণে যদি কোনো আগ্রহী ব্যক্তি এ বছর হজে যেতে না পারেন, তাহলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রত্যেকের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভায় এ বছরের হজ প্যাকেজ অনুমোদিত হয়েছে। এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট তিনটি প্যাকেজ ঘোষিত হয়েছে। খরচ প্যাকেজ-১ এ ৪ লাখ ২৫ হাজার, প্যাকেজ-২ এ ৩ লাখ ৬০ হাজার ও প্যাকেজ-৩ এ ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। বেসরকারি প্যাকেজে ৩ লাখ ৫৮ হাজার টাকা খরচ হবে।
নিবন্ধন করার পর করোনা ভাইরাসের কারণে হজে যেতে না পারলে নিবন্ধনকারীর টাকা ফেরত দেওয়া হবে কি না কিংবা জটিলতায় পড়তে হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হজে যেতে না পারলে যখন টাকা ফেরত চাইবেন তখনই টাকা ফেরত দেওয়া হবে। হজযাত্রী চাইলে টাকা উত্তোলন না করে পরের বছর কিংবা তারও পরের বছরও হজে যেতে পারবেন। হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসেন তছলিমও বলেন, হজে যেতে না পারলে হজযাত্রীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।