চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন

প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় নেমে পড়লেন প্রার্থীরা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে গতকাল সোমবার প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক পেয়েই নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা প্রতীক দিয়ে ব্যানার ও পোস্টার টাঙাতে শুরু করেছে। নগরীর অলিগলিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীর সমর্থকরা। আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন দুই জনেই  হযরত শাহ আমানত শাহের মাজার জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু করেন।

আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর প্রতীক নৌকা, বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের ধানের শীষ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী এম এ মতিনের মোমবাতি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের জান্নাতুল ইসলামের হাতপাখা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবুল মনজুরের আম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ওয়াহেদ মুরাদের প্রতীক চেয়ার।

প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, এখন থেকে ভোটের যুদ্ধ মাঠে। ভোট একটি উত্সব। প্রচারণায় আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম ইত্তেফাককে বলেন, হযরত শাহ আমানত শাহের মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। পাথরঘাটা, বক্সিরহাট ও দেওয়ান বাজার এলাকায় প্রচারণা চালিয়েছি। এখন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নগরবাসীর কাছে যাব।

প্রতীক পেয়েই উত্সবে মেতেছে প্রার্থী ও সমর্থকরা। গতকাল থেকে প্রার্থীরা রিকশা, ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশায় মাইক নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন। অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ১৪টি মহিলা কাউন্সিলর পদে ২১৭ জন প্রার্থী রয়েছে। দলগতভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৫৫ জন প্রার্থী নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দুই দলে অনেকেই কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হলেও বিদ্রোহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি। আওয়ামী লীগের মধ্যে কাউন্সিলর পদে বিদ্রোহী প্রার্থী বেশি। তারা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়াকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। প্রতি ওয়ার্ডে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী রয়ে গেছে।