‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে পূর্ব প্রস্তুতি, টেকসই উন্নয়নে আনবে গতি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মঙ্গলবার সারাদেশে পালিত হয় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
নাটোর : শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকা থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ, নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মীর আসাদুজ্জামান প্রমুখ। এরপরে ফায়ার ব্রিগেড কর্মীরা অগ্নিনির্বাপণী মহড়া প্রদর্শন করেন।
নেত্রকোনা : জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। চন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার শরফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক জিয়া আহমেদ সুমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফখরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।
রাঙ্গামাটি : সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাঈন উদ্দীন, প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দীন, কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক পবন কুমার চাকমাসহ সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তারা। এর আগে পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়।
মাদারীপুর : স্থানীয় স্বাধীনতা অঙ্গন থেকে শোভাযাত্রা পৌর ঈদগাহে শেষ হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবাহান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুদ্দিন গিয়াস প্রমুখ।
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) : সকালে উপজেলার হরিণপালা ১৬৩ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে শোভাযাত্রা বের হয়। পরে বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্যোগে মহড়া প্রদর্শন করা হয়। এরপর আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নাসির উদ্দিন খলিফা, তেলিখালী ইউপি চেয়ারম্যান শামসুউদ্দিন হাওলাদার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মো. নজরুল ইসলাম ও ওয়ার্ল্ড ভিশন ভাণ্ডারিয়া শাখার প্রোগ্রাম অফিসার আগুষ্টিন সরকার প্রমুখ।
এছাড়া কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ), বাঁশখালী (চট্টগ্রাম), পাবনা, আগৈলঝাড়া (বরিশাল), টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ), মেহেরপুরের গাংনী, পাবনার আটঘরিয়া, মাগুরার শ্রীপুর, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, কুমিল্লার চান্দিনা ও বুড়িচং, নওগাঁর রাণীনগর ও নিয়ামতপুর, ভোলার মরপুরা, মাদারীপুরের টেকেরহাট, রাজশাহীর বাঘা, বরগুনার বামনা, জয়পুরহাটের কালাই, পটুয়াখালীর মীর্জাপুর, দিনাজপুরের কাহারোল, রাজশাহীর তানোর, ফরিদপুরের নগরকান্দা, ঝিনাইদহের মহেশপুর, খাগড়াছড়ির মহালছড়িসহ সারাদেশে নানা আয়োজনে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত হয়।