করেনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে। চীনা প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের অনুপস্থিতিতে প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। গত অর্থবছরে বাস্তবায়ন হয়েছিল ৩৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) কারণে কিছুটা প্রভাব এডিপিতে পড়লেও খুব বেশি আশঙ্কার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠক শেষে তিনি জানান, এ বছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম। তবে টাকার অঙ্কে বাস্তবায়ন বেড়েছে। মন্ত্রী বলেন, তবে গত আট মাসে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ব্যয় করতে পেরেছে ৭৯ হাজার ৭৮৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। যেখানে গত অর্থবছরে আট মাসে ব্যয় হয়েছিল ৭০ হাজার ৭৭১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এ হিসেবে গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরে অর্থ ব্যয় বেশি হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব করোনার বিস্তারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিশ্বের বাইরে না। সুতরাং আমাদের এখানেও প্রভাব পড়বে। তবে কতটুকু প্রভাব পড়বে সেটি এখনো বলা যাচ্ছে না। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জান যায়, প্রতি বছরের মতো এবারও এডিপি সংশোধন হচ্ছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হচ্ছে। ৫৮ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৩৫টির এডিপি বরাদ্দ কাটছাঁট হচ্ছে। সবমিলিয়ে ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ বরাদ্দ কমছে সংশোধিত এডিপিতে।