স্পোর্টস ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিধ্বস্ত হয়ে এসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার মিশনে আছে ভারত। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়াকে নিজেদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করে ফুরফুরে মেজাজ নিয়ে ভারত সফরে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এমন অবস্থায় আজ যখন দুই দলের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে—তখন মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়েই বেশি আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু, সেটা হচ্ছে না করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে।
দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ মার্ক বাউচার ভারতে আসার আগেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মাঠে সব রকমের করমর্দন থেকে বিরত থাকবে তার শীষ্যরা। এখানেই শেষ নয়, দক্ষিণ আফ্রিকান ডাক্তারদের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই ভারত সফরে এসেছে প্রোটিয়ারা।
করোনা ভাইরাস ইস্যুতে বিরাট কোহলির দলও বেশ সিরিয়াস। পেসার ভূবনেশ্বর কুমার তো জানিয়েই দিলেন বলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যতটা কম সম্ভব থুতু ব্যবহার করা যায় সেই চেষ্টা তার দলের থাকবে। হার্নিয়া অস্ত্রোপচারের ধকল কাটিয়ে আবারও মাঠে ফিরে আসা ৩১ বছর বয়সি এই পেসার জানালেন, দলের ডাক্তারদের পরামর্শেই এই পথে হাঁটবে ভারতীয় দল।
তিনি ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘থুতু যাতে ব্যবহার করতে না হয়, সেই ব্যাপারটা নিয়ে আমরা ভেবেছি। হয়তো, ব্যবহারের মাত্রা কিছুটা কমিয়ে আনব আমরা। কিন্তু, এই বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। কারণ, থুতু ব্যবহার না করলে আমরা বলের উজ্জ্বলতা বাড়াব কি করে। সেক্ষেত্রে ব্যাটসম্যানরা বেধড়ক পেটালে বলা হবে আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি।’
ভূবনেশ্বর কুমার জানালেন এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে টিম মিটিংয়ে। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই যৌক্তিক একটা আলোচনা। আমাদের ম্যাচের আগে একটা টিম মিটিং হবে। সেখানে আমরা যেমন সিদ্ধান্তে আসব, সেই মাফিকই কাজ করব। পুরো বিষয়টা নির্ভর করছে দলের ডাক্তারদের বক্তব্যের ওপর। কিছু করণীয়-বর্জনীয় তো থাকবেই। এক্ষেত্রে আমরা পুরোপুরি ডাক্তারদের পরামর্শ মানব। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত হাত ধোয়া, দর্শকদের খুব বেশি কাছাকাছি না আসা—এসব ব্যাপারগুলো তো থাকবেই। ’
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি আজ অনুষ্ঠিত হবে ধর্মশালায়। জায়গার নাম ধর্মশালা বলেই সেখানে বৃষ্টির শঙ্কা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ধর্মশালার উইকেটে বাড়তি ময়েশ্চারের কথা মাথায় রেখেই চার পেসার খেলানোর কথা ভাবছেন বিরাট কোহলি। ইনজুরি কাটিয়ে হার্দিক পান্ডিয়ার ফেরার মঞ্চ প্রস্তুত। আগামী ১৫ মার্চ দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে লখনৌতে। এরপর ১৮ মার্চ তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে।