স্পোর্টস রিপোর্টার
প্রশংসায় ভাসলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার হার্নেন বারকোস।
কুমিল্লায় মোহামেডানের কাছে হেরে স্নায়ুর চাপে ছিলেন বসুন্ধরার স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন। কারণ সুযোগ পেয়েও গোল পায়নি তার দল। গতকাল এএফসি কাপে প্রথম জয় পেয়ে ব্রুজন অনেকটাই নির্ভার, বললেন, ‘বারকোসকে পেয়ে আমার স্কোরিং সমস্যা দূর হয়েছে। আগে পেলে মোহামেডান ম্যাচটা হারতে হতো না। বারকোসকে সেরা বললেও হবে না। সেরার চেয়েও বেশি কিছু।’ ব্রুজনের কণ্ঠে উঠে আসল বারকোস, কোস্টারিকার কলিন্দ্রেস, কিরগিজস্তানের বখতিয়ার, আর্জেন্টিনার দেলমন্তে, বিপলুদের নাম। আক্রমণভাগে এরা বসুন্ধরার বড়ো অস্ত্র। রক্ষণভাগ নিয়ে হতাশা ব্রুজনের। মোহামেডানের বিপক্ষে গোল হজম করতে হয়েছিল রক্ষণের দোষে। গতকাল মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের বিপক্ষে পেনাল্টি হয়েছে রক্ষণেরই দোষে। ব্রুজন বললেন, ‘ইয়াসিনকে আরো উন্নতি করতে হবে।’
গোলকিপার জিকো তিনবার পেনাল্টি ঠেকিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্রুজন বললেন, ‘জিকোর পেনাল্টি ঠেকানোটা কোনো ভাগ্য নয়। এটা হচ্ছে ম্যাচ জেতার মানসিকতা। এমন মানসিকতা থাকলে খেলা যায়। আমার জীবনে দেখিনি একজন গোলকিপার এভাবে বারবার পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিচ্ছে।’ টিসি স্পোর্টস আগেও বাংলাদেশে এসেছে। চট্টগ্রামে শেখ কামাল গোল্ডকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নও হয়েছে। কিন্তু কাল বসুন্ধরার বিপক্ষে ৫-১ গোলে হারার মতো অসহনীয় অভিজ্ঞতা আর হয়নি। এক বারকোসই সবকিছু পাল্টে দিয়েছেন এই কথাটা বারবার টিসি স্পোর্টসের কোচ সাজলীর কণ্ঠে শোনা গেছে। সাজলী বললেন, ‘বারকোসকে থামানো সহজ ছিল না। আর পেনাল্টি মিস আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে। গোল হলে আমরা এক পয়েন্ট পেতাম। বসুন্ধরা পেনাল্টি পেয়ে গোল করে এগিয়ে যায়, এটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। আসলে আমরা বসুন্ধরার জার্সিতে বারকোসের খেলা দেখিনি। যে কারণে তাদের জন্য ম্যাচের এডভান্টেজ ছিল এটা। এখন দেখলাম। আমাদের হোম ম্যাচে পরিকল্পনা করতে পারব।’
বারকোস যেন এলেন, দেখলেন, জয় করলেন।