সিলেটে পাসপোর্ট যেন ‘সোনার হরিণ’

প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) যেন এখন ‘সোনার হরিণ’। প্রতিদিন সিলেট পাসপোর্ট অফিসে ভিড় করছেন হাজার হাজার লোক। নির্ধারিত ফি, ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার পর ছয় মাসেও পাসপোর্টের ডেলিভারি হচ্ছে না। এতে হজযাত্রী, শিক্ষা ও চিকিত্সার জন্য বিভিন্ন দেশে যেতে আগ্রহী ও ইমিগ্রেশন প্রত্যাশীরা পড়েছেন বেকায়দায়। সিলেট পাসপোর্ট অফিসে বর্তমানে ১৫ হাজার আবেদন ঝুলে আছে বলে কর্মকর্তারা জানান। পাসপোর্টের বুকলেট সংকটের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক নূরুল হুদা গতকাল ইত্তেফাককে জানান, এখন প্রতিদিন বেশ কিছু পাসপোর্ট প্রিন্ট হয়ে ঢাকা থেকে আসছে। মাস দুয়েকের মধ্যে চাপ আরো কমবে। এপ্রিলে সিলেট থেকে ই-পাসপোর্ট ইস্যু হবে। এর যাবতীয় প্রস্তুতি চলছে।

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট প্রদানে সময়ক্ষেপণের ব্যাপারে জকিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে তিনি সিলেটে পাসপোর্ট ডেলিভারি পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ভোগান্তি এবং হয়রানির বিষয়টি তুলে ধরেন।

এফবিসিসিআই সদস্য ও সিপার এয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী খন্দকার সিপার আহমদ জানান, সিলেটে পাসপোর্ট ডেলিভারির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতায় তারা উদ্বিগ্ন। হাব সিলেট চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট মোতাহের হোসেন বাবুল সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর কাছে সিলেটে পাসপোর্ট সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।