চসিক নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই এগিয়ে আসছে ততই জোরাল হচ্ছে প্রচারণা। মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করছেন। নির্বাচিত হলে সর্বোচ্চ নাগরিক সেবার আশ্বাস দিচ্ছেন। নগরীর রাজপথ থেকে অলিগলি সর্বত্রই মুখরিত হয়ে উঠেছে নির্বাচনি প্রচারণায়। করোনা ভাইরাস আতঙ্ক এবং নাওয়া-খাওয়া ভুলে ভোটারদের সঙ্গে একাকার হয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনি প্রচারণায় বড়ো নেতাদের পাশাপাশি স্থানীয় নেতারা শামিল হয়ে প্রার্থীর পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, সিটি নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ। যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছি। এম রেজাউল করিম চৌধুরী গতকাল বৃহস্পতিবার উত্তর কাট্টলী, উত্তর পাহাড়তলী ও সরাইপাড়া ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন।
এদিকে, ভোট চাওয়ার পাশাপাশি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, গত বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেড়ে গেলে আমি ক্লোরিন সলিউশন বানিয়ে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে গণসচেতনতা তৈরি করেছিলাম যেটা পরে সিটি করপোরেশন অনুসরণ করেছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেঙ্গু মশা এবং মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করব। ডা. শাহাদাত হোসেন গতকাল নগরীর ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে গণসংযোগে এসব কথা বলেন।
দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ
গত বুধবার গভীর রাতে নগরীর রামপুর ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর সবুর লিটন এবং এসএম এরশাদউল্লাহর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় মারামারিতে কমপক্ষে চার জন আহত হয়েছেন। জানা গেছে, লিটন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। বর্তমান কাউন্সিলর এরশাদউল্লাহ এবার আওয়ামী লীগের সমর্থন না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচন করছেন।