পুলিশ ও প্রবাসীকে হত্যা

আড়াইহাজারে ইউপি সদস্যসহ পাঁচ জন কারাগারে

উপজেলার কালাপাহাড়িয়ায় পুলিশের এসআই নাসির সিরাজী ও সৌদি প্রবাসী রব মিয়া হত্যার পৃথক দুটি মামলায় পিতা-পুত্রসহ পাঁচ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ১ নম্বর জেলা ও দায়রা জজ শাহ মোহাম্মদ জাকির হাসানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত শুনানি শেষে তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আত্মসমর্পণকারীরা হলেন আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের কদমিরচর গ্রামের রোকন উদ্দিন ওরফে রুকু মেম্বার, তার ছেলে শফিকুল, একই এলাকার রব মিয়ার ছেলে আবুল ও রুবেল এবং  পাশের  পূর্বকান্দি এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে শফিক।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জাসমীন আহমেদ জানান, ২০১১ সালের ১৭ জুন রাতে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের কদমীরচর গ্রাম থেকে আলম, আহসান উল্লাহ, শফিকুল ইসলাম ও ফিরুজ মিয়াকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতার করে মেঘনা নদী দিয়ে ট্রলারযোগে খাকান্দা পুলিশ ফাঁড়িতে নেয়ার পথে মাঝ নদীতে গ্রেফতারকৃতরা ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিত্কার করে। এ সময় গ্রেফতারকৃতদের সহযোগীরা নদীর তীর থেকে এলোপাতাড়ি ঢিল ও ট্যাটা ছোড়ে। তখন পুলিশও পালটা গুলি ছুড়ে ফাঁড়িতে চলে আসে। সেখানে এসে তারা ফাঁড়ির ইনচার্জ নাসির সিরাজীকে খুঁজে পাননি। পরদিন নদীতে তার মৃতদেহ ভেসে ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই আহসান উল্লাহ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আত্মসমর্পণকারীরা চার্জশিটভুক্ত আসামি।

তিনি আরো জানান, ২০১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর পূর্বকান্দি গ্রামে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে ১৫-২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করে রুকু মেম্বার ও তার লোকজন। ঐ সময় বাধা দিলে সৌদি প্রবাসী রব মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় মামলা  হয়।