নাঙ্গলকোটে ভায়রার হাতে ভায়রা খুন

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের দৌলখাঁড় উত্তর-পূর্বপাড়া গ্রামে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ভায়রা ভাই ও তার লোকদের হামলায় অপর ভায়েরা ভাই আহত হওয়ার এক মাস তিন দিন পর গত বুধবার তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত আমিনুল হক মজুমদার ফুল মিয়া (৬০) ঐ গ্রামের মৃত ফজলের রহমান মজুমদারের ছেলে। গতকাল শনিবার সকালে দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে পারিবারিক ও মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে ভায়েরা ভাই মোস্তফা মজুমদারের নেতৃত্বে ১৪ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে আমিনুল হক মজুমদারের বাড়িতে হামলা করে।

এ সময় সন্ত্রাসীরা আমিনুল হকসহ পাঁচ জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আমিনুল হক মজুমদার ফুলমিয়াকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে তার অবস্থা আরো গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ১৪ জনকে আসামি করে নিহতের ছোটো ভাই আব্দুল গোফরান নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করেন । গতকাল স্থানীয়রা জানাজার আগে আমিনুল হকের লাশ সামনে রেখে খুনিদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন।

এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিরা জামিনে রয়েছে। যেহেতু ঘটনায় আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই ঐ মামলাটি আদালতের মাধ্যামে হত্যা মামলা হিসেবে পরিবর্তিত হবে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।