দুর্ভোগে স্থানীয়রা
মাহমুদুল কবীর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
যমুনা নদীর হঠাত্ ভাঙনে দুর্ভোগে পড়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের মানুষ। গত এক মাসে ভাঙনে ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে আরো শত শত একর আবাদি জমি। সরেজমিনে গত এক সপ্তাহে দেখা গেছে, ভাঙনে ফসলের ক্ষতিতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
দেখা গেছে, পানি কমে যাওয়ার পর থেকে এই উপজেলার খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী, নিশ্চিন্তপুর, শুভগাছা, মাইজবাড়ী, মনসুরনগর ও চরগিরিশ ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ভাঙন শুরু হয়। বিশেষ করে খাসরাজবাড়ী, তেকানী, মাইজবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে তীব্র আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তেকানী ইউনিয়নের কৃষক আবুল হোসেন জানান, ফসলের জমি ভেঙে ক্ষতিতে আমরা দিশেহারা। তেকানী ইউপি চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ জানান, নদী পাড়ের মানুষ আমি নিজে। আমি জানি নদীভাঙনের কষ্ট এবং জ্বালা-যন্ত্রণা। চরের কৃষক শাহজাহান জানান, এই বছরে আবাদ করে বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠে একটু মাথা তুলে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম কিন্তু গত কয়েকদিনের নদীভাঙনে সে স্বপ্ন ভেঙে গেছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিস সূত্র জানায়, নদীভাঙন রোধ, সংস্কার ও সংরক্ষণে বৃহত্ প্রকল্পের প্রয়োজন। এতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার একটি বৃহত্ প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, বর্তমানে যমুনার ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেখানে শুধু আবাদি জমি বিলীন হচ্ছে। এরই মধ্যে ভাঙন রোধে কাজিপুরে কয়েকটি এলাকায় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।