সামান্য জ্বর অথবা ডায়রিয়া। হুট করে কয়েকটা অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে বসলেন। ওষুধের দোকানে গেলেন। কয়েকটা অ্যান্টিবায়োটিক ধরিয়ে দিল। এভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যায় না। শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ কিডনির ক্ষতি করে। প্রশ্রাবে জ্বালাপোড়ায়ও অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া হয়। অথচ এটা শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। কিডনির নীরব ঘাতক। অতিরিক্ত পানি খাওয়াও কিডনির জন্য ভালো নয়। তৃষ্ণা পেলেই কেবল পানি পান করতে হবে। উন্নত দেশে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে একটা গাইডলাইন থাকে। আমাদের দেশে তাও নেই। শুধু কি তাই। অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শুরু করে সম্পন্ন করা হয় না। ফলে ওই ওষুধ পরবর্তী সময়ে কাজ করে না। নিঃসন্দেহে এটা ভয়াবহ খারাপ খবর। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে সকলের সচেতনতা কাম্য। একটুতেই অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা যাবে না। অপ্রয়োজনে কোনো ওষুধ সেবনই ভালো নয়।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বানারীপাড়া, বরিশাল