ইত্তেফাক রিপোর্ট
সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ শীর্ষক প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে আরো ৪০ কোটি ডলার ঋণচুক্তি করেছে সরকার। গতকাল রবিবার শেরেবাংলা নগরে ইআরডি এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এ লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন চুক্তিতে সই করেন। প্রকল্পটিতে চার কিস্তিতে সর্বমোট ১২০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি। এর আগে ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর ৩০ কোটি ডলার ঋণচুক্তি করেছে এডিবি। গতকাল দ্বিতীয় কিস্তির ঋণচুক্তি সই হলো। ঢাকা-নর্থওয়েস্ট আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডোরের সড়ক যোগাযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধিসহ ভুটান, ভারত ও নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ সহজ করতে হাটিকুমরুল হয়ে রংপুর পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণসহ উভয় পর্শ্বে ধীরগতিসম্পন্ন যান চলাচলের জন্য পৃথক লেন নির্মিত হবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সাসেক করিডোর, এশিয়ান হাইওয়ে-২, বিমসটেক-২ এবং সার্ক হাইওয়ে করিডোর-৪-এর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। উল্লেখ্য, সাসেক রোড করিডোরের অংশ হিসেবে জয়দেপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা সড়কও চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এডিবির এই অর্থে সাসেক ফেজ-২ ট্রান্স-২ বাস্তবায়ন করা হবে। সুদহার ইউরোবোর প্লাস শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ। দ্বিতীয় কিস্তির ঋণ পাঁচ বছর রেয়াতকালসহ শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ হারে ম্যাচুরিটি প্রিমিয়াম ও অব্যয়িত অর্থের ওপর শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ কমিটমেন্ট চার্জ দিতে হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ২০২৮ সালে প্রকল্পটি শেষ হলে ২২ জেলার মানুষ উপকৃত হবে। প্রকল্প পরিচালক কাজী শাহরিয়ার হোসেন বলেন, প্রকল্পটিতে আটটির মধ্যে সাতটি কন্ট্রাক্ট হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরো তিন বছর সময় বেশি লাগতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ এবং পরিষেবা স্থানান্তরে সময় বেশি লাগছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রকল্প এলাকায় পল্লীবিদ্যুেক খুঁটি সরাতে ৯ মাস আগে অর্থ পরিশোধ করা হলেও তারা কাজ শুরু করেছে মাত্র দুই মাস আগে।