আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে সরকার থেকে নিরুত্সাহিত করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে—যাতে বিমানের মাধ্যমে আসা বন্ধ করা যায়। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।
গতকাল রবিবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘একমাত্র চীনই করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। তারা কীভাবে কন্ট্রোল করতে পারছে, সে বিষয় শেয়ার করার জন্য আমাদের কাছে তাদের একটা চিঠি এসেছে। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আমরা এখন প্রস্তুত। দলও প্রস্তুত। দেশবাসীকে সতর্ক করে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। আমাদের এখানে এখনো সংক্রমিত হওয়ার উদাহরণ নেই। যারা সংক্রমিত তারা বিদেশ থেকে এসেছে। বাকি যারা আসছে তাদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘স্কুল-কলেজ বন্ধের ব্যাপারে দাবি উঠেছে। বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে আলোচনায়ও রয়েছে, আমাদের ভাবনায় আছে। গভীরভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সময়মতো বিষয়টির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকার করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে।’
পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন কবে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর কাজে চাইনিজ কর্মীদের কিছু কিছু ছুটিতে গেছে, কিন্তু তার সংখ্যা খুব বেশি না। তাদের আসা বিলম্বিত হলে কিছুটা দেরি হতে পারে। আমরা সর্বশেষ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছি।’ করোনা ভাইরাসের কারণে আওয়ামী লীগের মহানগর কমিটির কাজ বিলম্বিত হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এতে ঘরোয়া কাজগুলো আরো গতি পাবে। বিলম্ব হবে না।’
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হোসেন, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা সিটির দুই মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ও আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।