শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণায় শেয়ারবাজারে বড়ো ধস

করোনা ভাইরাস যেন স্কুল-কলেজে ছড়িয়ে না পড়তে পারে তারই সতর্কতা হিসেবে গতকাল সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আর এ ঘোষণার পরপরই শেয়ারবাজারে বড়ো ধস দেখা দিয়েছে। করোনা আতঙ্কে দিশাহারা অনেক বিনিয়োগকারী লোকসানেও শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) প্রধান মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ১৯৬ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৭৭২ পয়েন্টে নেমে এসেছে। গতকাল লেনদেন হয়েছে ৪০৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, গতকাল সকালে যখন লেনদেন শুরু হয় তখন বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখি। লেনদেন শুরু হওয়া প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দাম ছিল বাড়তির দিকে। এতে মাত্র পাঁচ মিনিটেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট বেড়ে যায়। দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখায় ২০১টি প্রতিষ্ঠান। বিপরীতে দাম কমে ১২টির। পরে দুপুর ১২টার দিকে যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে তখন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্কের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। এরপর থেকে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ান। গতকাল দাম কমে যাওয়ায় ৪০টি প্রতিষ্ঠান সার্কিট ব্রেকারের (দাম কমার সর্বোচ্চ) সীমার কাছে চলে আসে। লেনদেন শেষে ডিএসইতে মাত্র ১০টি প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৩৩টির। ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৫৭৭ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৫৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৭১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৩৫টির এবং ১১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।