মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয়েছে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে। গতকাল মঙ্গলবার গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের কর্মকর্তারা এ মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনান। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে লাল কাপড়ে মোড়ানো এই মৃত্যুপরোয়ানা বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে ঐ কারাগারে পাঠানো হয়। এরপরই সেটি পড়ে শোনানো হয় বলে জানান ঐ কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক দেবদুলাল কর্মকার।
হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আজহারকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন তিনি। শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ গত বছর ট্রাইব্যুনালের ফাঁসির রায় বহাল রাখে। রবিবার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এরপরই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা আজহারের মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করেন। এরপরই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগার ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছেও এ সংক্রান্ত পরোয়ানার আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে। রায় প্রকাশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, রায় প্রকাশ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা না হলে ফাঁসি কার্যকরের আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হবে।
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, আজহারুল ইসলাম আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন। ‘মৃত্যু পরোয়ানা’ পড়ে শোনানোর পর কারা কর্তৃপক্ষকে ঐ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। এ ব্যাপারে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন তিনি।