দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি পাকিস্তান কারাগার থেকে দেশে ফিরে এসে দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তার সে সময়কার বিভিন্ন সভা-সমাবেশে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অসংখ্য বক্তব্য রয়েছে। এগুলো আমাদের জাতির জন্য ঘুরে দাঁড়াবার অনুপ্রেরণা বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে দুর্নীতিবিরোধী প্রামাণ্য চিত্র “দুর্নীতির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় দুদক চেয়ারম্যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ১৯২০ সালের আজকের এই দিনে জাতির পিতা জন্মগ্রহণ করেন। আজকে শতবর্ষ পূর্ণ হলো। তিনি এদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে দেশে ফিরে এসে দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তিনি বিভিন্ন সভা-সমাবেশে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলো একত্রে সন্নিবেশিত করে এই শর্ট-ফিল্মটি তৈরি করা হয়েছে। এটি দেশের সর্বত্র পৌঁছে দেওয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর এই বক্তব্য আমাদের সবাইকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে এই ফিল্মটিকে আমরা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উত্সর্গ করছি।
দুদক চেয়ারম্যান আরো বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে প্রণীত আমাদের পবিত্র সংবিধানে বলা হয়েছে—‘রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসেবে কোনো ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে সমর্থ হবেন না।’ এটাই হচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ অঙ্গীকার। কমিশনও অনুপার্জিত আয় ভোগ করার সব পথ রুদ্ধ করতে চায়। কেউ দুর্নীতি করবেন না। দুর্নীতির পরিণতি কখনো সুখকর হবে না।