আদালত খোলা রাখা হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেবেন সব বিচারপতি একত্রে

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে দেশের সকল আদালত খোলা রাখা হবে কি না সেই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেছেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে আমরা সচেতন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল বিচারপতিরা বসে সিদ্ধান্ত নেব এটা নিয়ে কী করা যায়। এখন সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ চলছে। অবকাশ শেষে কোর্ট খোলার আগেই আমরা সবাই একসঙ্গে বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তবে বিচারপ্রার্থী জনগণ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ বিচারক হোম কোয়ারেন্টাইনে

অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রশিক্ষণ শেষে অধস্তন আদালতের ৩০ বিচারককে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী  ১৫ মার্চ থেকে তারা হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এর আগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণের জন্য অধস্তন আদালতের ৩০ বিচারক অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। ঐ প্রশিক্ষণ শেষে ১৫ মার্চ তারা দেশে ফেরেন।

আদালতে অবকাশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

করোনা ভাইরাস থেকে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণকে রক্ষায় উচ্চ ও নিম্ন আদালতে অবকাশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বুধবার ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব এ রিট দায়ের করেন। আবেদনে ডিসেম্বরে থাকা অবকাশকালীন ছুটি স্থানান্তর করে এখন নিম্ন আদালতে সেই ্বর ও ডিসেম্বরে থাকা অবকাশকালীন ছুটি স্থানান্তর করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।