দাম কমার ক্ষেত্রে নতুন সার্কিট ব্রেকার চালু করে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের শেয়ারবাজারে বড়ো উত্থান ঘটানো হয়েছে। মাত্র অধাঘণ্টা লেনদেন চালিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বাড়ানো হয়েছে ৩৭১ পয়েন্ট বা ১০ শতাংশ।
অব্যাহত দরপতনের হাত থেকে শেয়ারবাজার রক্ষা করতে গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন সার্কিট ব্রেকার চালু করা হয়। এ সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করতে গিয়ে তিন দফা পেছানো হয় লেনদেন শুরুর সময়। অবশ্য নতুন সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করে দুপুর ২টায় শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। যা চলে আড়াইটা পর্যন্ত।
মাত্র আধাঘণ্টার এ লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৭১ পয়েন্ট। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ বেড়েছে ১২২ পয়েন্ট। আর ডিএসইর শরিয়াহ বেড়েছে ৮৪ পয়েন্ট। বাজারে লেনদন হয়েছে ৪৯ কোটি ১২ লাখ টাকা।
নতুন সার্কিট ব্রেকারের নিয়ম অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন শুরু হবে শেষ পাঁচ কার্যদিবসের ক্লোজিং প্রাইসের গড়মূল্য দিয়ে। এর নিচে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম নামতে পারবে না। তবে দাম বাড়ার সীমা আগের মতোই থাকবে। নতুন এ নিয়মে লেনদেন শুরুর পর পরই হুহু করে বাড়তে থাকে মূল্যসূচক। তবে সূচক যে হারে বেড়েছে প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম সেই হারে বাড়েনি। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪১টি প্রতিষ্ঠানের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৪৯টির। আর ১৫২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অবশ্য ৮০টি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে ২০ শতাংশের ওপরে। এর মধ্যে শতকরা হিসাবে সব থেকে বেশি দাম বেড়েছে দুলামিয়া কটনের। প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৩১ শতাংশ। দিনের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৫০ পয়সা। শেষ পাঁচ কার্যদিবসের ক্লোজিং প্রাইস অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারের শুরু দাম নির্ধারিত হয় ৪৯ টাকা ৬০ পয়সা। এ হিসাবে শেয়ারের দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই আগের দিনের তুলনায় ১৭০ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টির দাম বেড়েছে। কমেছে ৬২টির। আর ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।