সেনা অফিসার পরিচয়ে প্রতারণা থেকে সাবধান
ইত্তেফাক রিপোর্ট
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌ বাহিনী টহল দিচ্ছে। সেনাবাহিনী ৩৮৯টি উপজেলায় গতকাল বুধবার তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১০৩৯টি টহল পরিচালনা করেছে। এছাড়া মোতায়েনের দিন সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সেনাবাহিনী ২৪৭৫টি টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। টহলের পাশাপাশি সেনাবাহিনী নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে নিয়মিতভাবে যোগাযোগ রাখছে এবং যে কোনো প্রয়োজনে সার্বিক সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
নৌ বাহিনীর টহল: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা দিতে ১১টি সংসদীয় আসনের এলাকায় নৌবাহিনী টহল দিচ্ছে। সংসদীয় এলাকাগুলো হলো ভোলা-১, ভোলা-২, ভোলা-৩, ভোলা-৪, কক্সবাজার-২, কক্সবাজার-৪, চট্টগ্রাম-৩, নোয়াখালী-৬, বরগুনা-১, বরগুনা-২ ও বাগেরহাট-৩। মোট ১৮টি উপজেলায় ১৮টি কন্টিনজেন্ট স্থাপন করেছে নৌবাহিনী। প্রতিটি কন্টিনজেন্টে একজন করে কমান্ডার ও লে. কমান্ডার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই ১৮টি কন্টিনজেন্টে প্রায় ৫ হাজার সদস্য টহল ডিউটি দিচ্ছে। গতকাল বাগেরহাটের মংলা, বরগুনার পাথরঘাটা, তালতলী, বামনা, নোয়াখালীর হাতিয়া, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুতুবদিয়া, ভোলার লালমোহন, তজুমুদ্দিন, মনপুরা ও চরফ্যাশন এলাকায় নৌ বাহিনী টহল দিয়েছে।
এদিকে সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। বাহিনীর সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতাকে পুঁজি করে ব্যক্তিগত স্বার্থে সেনা কর্মকর্তাদের ভুয়া পরিচয় দিচ্ছে প্রতারক চক্র। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। গতকাল বুধবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও তদূর্ধ্ব পদবির অফিসার পরিচয় দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদেরকে ফোন করছে। ফোনে প্রার্থীদের কাছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে অর্থ দাবি করছে। এরই মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের কতিপয় ভুয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এসব অসাধু ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ধরনের বিষয়ে তাত্ক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।