জবির ভর্তি পরীক্ষা গুচ্ছ পদ্ধতিতে

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। তবে গুচ্ছ পদ্ধতির বিপক্ষে মত দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও ছাত্রলীগ। একাডেমিক কাউন্সিলের একাধিক সদস্য জানান, বেশির ভাগ শিক্ষকের বিপক্ষ মতকে প্রাধান্য না দিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষেই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এদিকে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষায় গেলে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, আমরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সার্বিক দিক বিবেচনা করেই গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি কমে যাবে। যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসতে চায় তাদের জন্য এখনো সুযোগ আছে। তবে এ বছর না এলেও আমি নিশ্চিত আগামী বছর তারা এই পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. তৌহিদুল হাসান বলেন, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতির বিপক্ষে কথা বলেছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেহেতু চায়      না, আমিও এ ব্যাপারে একমত ছিলাম না। এর মাধ্যমে যদি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমে, তাহলেই ভালো। আশা করছি, আগামীতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি নুরে আলম বলেন, আমরা প্রথম থেকে গুচ্ছ পদ্ধতির বিপক্ষে ছিলাম, আমরা সেটা একাডেমি মিটিংয়ে উত্থাপনও করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমরা পরে সিদ্ধান্ত জানাব।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আহ্বায়ক (সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি) আশরাফুল আলম টিটন বলেন, দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো না এলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও গুচ্ছ পদ্ধতিতে যাবে না। শিক্ষার্থী হিসেবে এটা আমরা কখনো মেনে নেবো না। ক্যাম্পাস খুললেই গুচ্ছ পদ্ধতির বিপক্ষে আমরা এক দফা আন্দোলনে যাবো।