জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা
শরীয়তপুর জেলার সখীপুর উপজেলার মৃতাকান্দি গ্রামে এক নারী (৩৫) মরিশাস থেকে গত মঙ্গলবার ফেরেন। গ্রামবাসী তাকে তার বাড়িতে উঠতে না দেওয়ায় শরীরে জ্বর ও হাঁচি-কাশি নিয়ে মামার বাড়ি জীবননগর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে এসে উঠেন। কিন্তু করোনার ভয়ে কেউ তার পাশে যেতে সাহস পাননি। পরে শুক্রবার তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও জীবননগর উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৪২ জন।
ঐ নারী জানান, শরীরে জ্বর থাকায় তাকে বাড়িতে থাকতে দেয়নি প্রতিবেশীরা। বাধ্য হয়ে তিনি চলে আসেন ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলায় অবস্থিত এক আত্মীয়র বাড়িতে। এলাকাবাসী সেখানেও তাকে থাকতে না দিলে তিনি মামা আবু বকরের বাড়ি জীবননগরে চলে আসেন। বিদেশ থেকে আসা ও শরীরে জ্বর এবং হাঁচি-কাশি থাকার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় আত্মীয়-স্বজন তাকে শুক্রবার হাসপাতালে নেন। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিত্সকরা তার শারীরিক সিমটমের বিষয়টি জানার পর আর নিরাপত্তা পোশাক না থাকায় চিকিত্সা দিতে আগ্রহী হননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিরাজুল ইসলাম জানান, বিদেশফেরত ঐ নারীকে হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।