তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক করোনার প্রভাব প্রযুক্তির মাধ্যমে মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এ পরিস্থিতি দীর্ঘ মেয়াদে চললে দেশের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, খাবার, নিত্যপণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রযুক্তিকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ কাওরান বাজারের জনতা টাওয়ারে করোনা পরিস্থিতি প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সে বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে উন্মুক্ত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। জুম অ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সে সরাসরি যোগ দেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীসহ দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সরকারি-বেসরকারি শতাধিক অংশীজন।
পলক বলেন, ‘এসওপি স্ট্যান্ডার্ড অপারেশনস প্রসিডিউর (এসওপি) ও বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান (বিসিপি)—এ দুটি ডকুমেন্ট তৈরি করার উদ্দেশ্যে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। পরিস্থিতি যদি দ্রুত ভালো হয়ে যায়, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। তবে যদি খারাপ হয়ে যায়, তাহলে তার জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। যদি ৩১ মার্চের মধ্যে পরিস্থিতি ভালো হয়ে স্বাভাবিক হয়ে যায়, তাহলে তো আর দুশ্চিন্তা নেই। কিন্তু যদি কোনো কারণে পরিস্থিতি কন্টিনিউ করে, তাহলে ভাববার রয়েছে, প্রস্তুতির বিষয় আছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি কয়েক মাস বা আরো বেশি দিন এমন চলে, তাহলে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়িতে বসে কীভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো যায়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। ফুড ডেলিভারি, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, জরুরি প্রয়োজনে জিনিসপত্র সরবরাহ যেন স্বাভাবিক রাখা যায়, সেই প্রস্তুতি নিতে হবে। লজিস্টিক ঠিক রাখা এবং সেটি হবে কীভাবে তার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আর এজন্যই সবাইকে নিয়ে এই মতবিনিময়। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং প্রযুক্তির সহায়তায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পলক বলেন, যারা ঘরে বসে থাকবেন, তারা কীভাবে সময় পার করবেন, যোগাযোগ রক্ষা করবেন এগুলো দেখা। ডিজিটাল সংযোগে সময় কাটানোর সুযোগ রাখতে হবে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর ভিডিও প্রযুক্তিতে প্রেস কনফারেন্স করতে চাইলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।