নিকলীর রোদারপুড্ডা জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার শেখ জুবায়ের হোসেন জুবাইদ নামে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রকে শিক্ষক পিটিয়ে জখম ও হাতের দুইটি আঙুল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ঐ মাদ্রাসা শিক্ষক বদরুল আমিন এ ঘটনা ঘটনায়। শুক্রবার জুবাইদের পিতা শেখ মোশারফ নিকলী থানায় ঐ শিক্ষককে আসামি করে মামলা করেন।
জানা যায়, ‘করোনা’ আতঙ্কে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হলেও জুবাইদের মাদ্রাসা বৃহস্পতিবার বন্ধ দেওয়া হয়। ঐ দিন জুবাইদকে বাড়ি নিয়ে যেতে তার পিতাকে ফোন করা হয়। শুক্রবার জুবাইদের মা রুজিনা বেগম ছেলেকে গোসল করাতে গেলে সমস্ত শরীরে লালচে জখম এবং বাম হাতের দুটো আঙুল ভাঙা দেখতে পান।
তার চিত্কারে বাবা মোশারফ ও বাড়িতে থাকা কাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যতত্ত্বের শিক্ষার্থী শেখ মোবারক হোসেন সাদী এগিয়ে আসেন। জুবাইদের কাছে কারণ জানতে চাইলে অনেক চেষ্টার পর জানা যায় ঐ শিক্ষক তাকে উপর্যুপরি বেত্রাঘাত ও মুচড়ে আঙুল ভেঙে দিয়েছে। তারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে অভিযোগ না শুনে তাদের ওপর চড়াও হয়।
শেখ মোবারক হোসেন সাদী জানান, বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
মাদ্রাসা পরিচালক আবদুল মুক্তাদির জানান, বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা বন্ধের পরই শিক্ষক বদরুল আমিন নিজ বাড়ি নেত্রকোনায় চলে গেছেন। তিনি এলে কঠিন বিচার করব। বদরুল আমিনের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে তার মুঠো ফোনে পাওয়া যায়নি। নিকলী থানার পুলিশ ইনচার্জ শামসুল আলম সিদ্দিকী জানান, এ ব্যাপারে নিকলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।