সারাদেশে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর রাজশাহীবাসী এখন প্রবাসীদের নিয়ে দারুণভাবে চিন্তায় পড়ে গেছে। রাজশাহী মহানগরীর ১২টি থানায় এবং জেলার ৯ থানা এলাকায় চলতি মাসের ১৫ দিনে বিদেশ থেকে ১ হাজার ৩০৮ প্রবাসী এসেছেন। এদের মধ্যে রাজশাহী মহানগরীর ১২টি উপজেলায় ফিরেছেন ৮১০ প্রবাসী। কিন্তু এদের বেশির ভাগই কোয়ারেন্টাইন না মেনে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় প্রবাসীদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীবাসী।
জানা গেছে, বোয়ালিয়া থানা এলাকায় ৪০৮ জন প্রবাসী এসেছেন। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ১০ প্রবাসীকে শনিবার নিজ বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তারা ইচ্ছামতো ঘোরাফেরা করছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া বিকাল হলেই প্রবাসীরা নগরীর বিভিন্ন মোড়ে চায়ের স্টলে এবং রেস্টুরেন্টে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
গত ১৮ মার্চ রাজশাহীর পুঠিয়ায় হোম কোয়ারেন্টাইন না মেনে বাইরে ঘোরাফেরা করায় বিদেশফেরত মামুনুর রশীদকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একদিন পর দুর্গাপুরে বিদেশফেরত দুই ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরা হলেন—দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া গ্রামের ওয়াজ নবীর ছেলে আজিজুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা এবং একই গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আবুল কালাম আজাদকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রামেক হাসপাতালের নার্স কোয়ারেন্টাইনে
করোনা ভাইরাসের উপসর্গ থাকার সন্দেহে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের একজন নার্সকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। সরঞ্জাম না থাকার কারণে চিকিত্সকেরা তার পরীক্ষা করতে পারেননি। ঢাকা থেকে বাসে ফেরার সময় তিনি ইতালিফেরত এক প্রবাসীর সহযাত্রী ছিলেন। বাড়ি ফিরেই তার শরীরে জ্বর আসে। এ জন্য তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।