ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রমজান আলীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জন জুনিয়র ক্লার্ক, এক জন সিনিয়র ল্যাব টেকনিশিয়ান ও এক ছাত্রের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এক মাস আগে অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. ফজলুল হক উপরোক্ত সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো নিশ্চিত করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রমজান আলীকে ছাত্রী যৌন হয়রানির অপরাধে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র ল্যাব টেকনিশিয়ান মো. আমিনুল ইসলামকে ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার দায়ে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৌরভ পাল চৌধুরীকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনায় আগামী তিন বছরের পদোন্নতি স্থগিত করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে একই প্রশ্নপত্রে দুইটি সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগে পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম হতে দুই বছর বিরত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রশীদ পলাশকে সাব-রেজিস্টার অধ্যাপক ড. মো. সফিউল আলমের টেবিলে আঘাত করায় আগামী ১ জুলাই থেকে প্রাপ্য বার্ষিক বর্ধিত বেতন স্থগিত রাখা এবং শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালকের পদে দায়িত্বে থাকাকালীন ৪ লাখ টাকা অগ্রিম গ্রহণ করে তা যথাযথভাবে সমন্বয় না দেওয়ায় উচ্চতর পদে পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে।
বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের জুনিয়র ক্লার্ক কবিতা রায়কে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত তথ্য প্রমাণ ছাড়াই নিয়োগে অনিয়ম ও বাণিজ্য হয়েছে মর্মে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদানের অপরাধে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।