নিম্ন আদালতের কার্যক্রম সীমিত করতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ

বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে অধস্তন আদালতের কার্যক্রম সীমিত রাখার জন্য প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ আইন সমিতি। সমিতির অনুরোধপত্রে বলা হয়, এই মুহূর্তে কমপক্ষে পরবর্তী দুই সপ্তাহের জন্য কেবল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহে জামিন ও রিমান্ড শুনানির মতো অপরিহার্য বিষয়সমূহের ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে অধস্তন আদালতসমূহের কার্যক্রম চলমান রাখা দরকার। এছাড়া অবশিষ্ট সব আদালতের বিচার কার্যক্রম মুলতবি রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদানে আপনাকে অনুরোধ করছি। আইন সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ অনুরোধ জানানো হয়।

প্রধান বিচারপতিকে লেখা ঐ পত্রে বলা হয়, দেশের অধস্তন আদালতসমূহে প্রতিদিন যে পরিমাণ কারাবন্দি-আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে উপস্থাপন করা হয় তা তুল্যবিচারে খুবই নগণ্য। বরঞ্চ উক্ত আদালতসমূহে প্রতিদিন যে বিপুলসংখ্যক বিচারপ্রার্থী-জনগণ ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্টদের জনসমাগম হয় তার সংখ্যা কারাবন্দি-আসামিদের তুলনায় কয়েক শত গুণ বেশি। আর ঢাকা ও চট্টগ্রামের অধস্তন আদালতসমূহে প্রতিদিন লক্ষাধিক লোকের জনসমাগম হয়, যা এই মুহূর্তে আদালতসংশ্লিষ্ট সবার জন্যই বড়ো একটা উদ্বেগের বিষয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আপনাকে অনুরোধ করছি।

প্রসঙ্গত প্রধান বিচারপতি এরই মধ্যে জামিন শুনানিতে কারাবন্দি আসামিদের আদালতে হাজির না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে জামিন শুনানি করতে অধস্তন আদালতের সব পর্যায়ের বিচারকদেরকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।