দেশি পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো কমলো

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশি পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো কমে গেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৫ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক অনুমোদন করলেও এনজিও ব্যুরোর অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৭ হাজার পর্যবেক্ষক পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবেন।

ইসি সচিবালয় থেকে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ৮১টি প্রতিষ্ঠান ৩৪ হাজার ৬৭১ জন পর্যবেক্ষকের জন্য ইসিতে আবেদন করে। সেখান থেকে ইসি বাছাই করে ২৫ হাজার ৯২০ জন দেশি পর্যবেক্ষকের তালিকা অনুমোদন করে। এদের মধ্যে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের (ইডব্লিউজি) ২২টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ হাজার পর্যবেক্ষক রয়েছে। বাকি ৫৯টি প্রতিষ্ঠানের পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ১০ হাজার ৯২০ জন।

ইডব্লিউজি সূত্র জানায়, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী যেসব প্রতিষ্ঠান বিদেশি অনুদান পেয়ে থাকে, তাদের টাকা ছাড়ের জন্য এনজিও ব্যুরো থেকে অনাপত্তিপত্র নিতে হয়। একই সঙ্গে এনজিও ব্যুরোর অনাপত্তিপত্রের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র গ্রহণ করতে হয়। গত মঙ্গলবার এনজিও ব্যুরো ইডব্লিউজির সাতটি প্রতিষ্ঠানকে অনাপত্তিপত্র দিয়েছে। এগুলো হলো-জানিপপ, সলিডারিটি, উত্তরণ, এসিডি, আইইডি, জিইউকে ও র্বাচতে শেখা। বাকি ১৫টি প্রতিষ্ঠান এখনো অনাপত্তিপত্র পায়নি। আর শেষ মুহূর্তে অনাপত্তিপত্র পেলেও তাদের পক্ষে পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে না।

১৭৬ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক

ইসি সচিবালয় থেকে যে হিসাব পাওয়া গেছে, তাতে ১৮টি সংগঠন বা রাষ্ট্রের ১৭৬ পর্যবেক্ষকের এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ফ্রান্স দূতাবাসের ৪, জাপানের ৯, স্পেনের ১, ডেনমার্কের ৩, নরওয়ের ২, সুইজারল্যান্ডের ৬, ইউএস দূতাবাসের ৬৫, জার্মানির ৮, নেদারল্যান্ডসের ৪, কানাডার ৭, ব্রিটেনের ১৮, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ২৪, ডিকেআই-নেপালের ৩, ইইউ-এর ২, আইআরআইয়ের ৪, এশিয়া ফাউন্ডেশনের ৭ ও সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ৯ জন।