আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্টের কালো টাকার প্রভাব, সন্ত্রাস, নাশকতা ও সহিংস রূপ ততই উন্মোচিত হচ্ছে। আর ড. কামাল হোসেনের জাতীয় নির্বাচনের তিন দিন আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিইসি পদত্যাগ দাবি নির্বাচন ভন্ডুলের অপকৌশল মাত্র। গতকাল বুধবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক আরো বলেন, তাদের ন্যায়-নীতি ও সততার মুখোশ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসছে বীভত্স চেহারা। মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে র্যাবের হাতে আট কোটি টাকা, দশ কোটি টাকার চেক এবং তারেক জিয়ার ছবি সম্বলিত বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার, টাকার সঙ্গে ঢাকার একটি আসনের সব ভোটারের নাম ঠিকানা সম্বলিত তালিকাসহ হাওয়া ভবনের কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছেন।
বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্টকে সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে নানক বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সকল দলকে গণতান্ত্রিক ও আইনসিদ্ধ আচরণ করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘কামাল হোসেনরা নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নানারকম উস্কানি দিলেও নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। ড. কামাল হোসেনরা লাল কার্ড পাওয়ার মতো একাধিক ফাউল করলেও নির্বাচন কমিশন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে অত্যন্ত নমনীয় ভূমিকা পালন করছে।’
সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।