ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়েছে করোনা ভাইরাসের প্রভাব। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতারা কিস্তি পরিশোধের চিন্তায় দিশেহারা অবস্থায় ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে এ ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের কথা চিন্তা করে ঋণ আদায়ে জোরাজুরি না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের যেসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এনজিও বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন সেসব প্রতিষ্ঠান আগামী জুন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে ঋণখেলাপি ঘোষণা করতে পারবে না।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দেশের সার্বিক অর্থনীতির এ নেতিবাচক প্রভাবের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাগণের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বর্ণিত বিষয়াবলি বিবেচনায় এমআরএ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কোনো ঋণের শ্রেণিমান উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।