কলকারখানা বন্ধ হলে গ্রামে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান। গতকাল রবিবার বিকালে রাজধানীর শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে শ্রমিক নেতাদের একাংশের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া বড়ো কথা নয়। ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিলে তো সবাই তো গ্রামে যাবে; সেখানেও ছড়াবে। ডেঙ্গু কিন্তু প্রথমে ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল, ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ল যখন ঈদ এলো, প্রত্যেকে গ্রামে গেল, তখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ল। কারখানা বন্ধ করে দিলে করোনা থেকে রক্ষা পাবো না। তবে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রয়োজনে শ্রমিক কল্যাণ ফান্ড থেকে শ্রমিকদের জন্য সহায়তা আরো বাড়বে। শ্রমজীবীরা সচেতন হই, সবাই মিলে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করব।
শ্রমিক নেতাদের একাংশ গার্মেন্টস খোলা রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু বলেন, আমরা গার্মেন্টস চালু রাখার পক্ষে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমরা মনে করি, কারখানা বন্ধ করে দিলেই সমাধান হবে না, বরং বন্ধ করে দিলে তা আরো মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
শ্রমিক নেতা আমিরুল হক আমিন বলেন, এসব মিটিংয়ে বায়ারদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গার্মেন্টস বন্ধ না করে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি বলেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা গার্মেন্টস বন্ধের পক্ষে। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রমসচিব কে এম আলী আজম, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান, লেবার ফেডারেশনের সভাপতি শাহ মো. আবু জাফর, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শামীম আরা প্রমুখ।