করোনা থেকে বাঁচতে দোকানপাট, ব্যবসা অনেকাংশে বন্ধ করতে হচ্ছে। এতে দিনমজুররা শ্রম বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে ঋণগ্রস্ত দরিদ্ররা কিস্তি পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় গুরুদাসপুরের সকল এনজিওকে রবিবার থেকে অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসন। গুরুদাসপুরের বিয়াঘাট গ্রামের দিনমজুর হাজেরা বেগম, আক্তার বানুসহ অন্তত দশ জন বলেন, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গরু-ছাগল পালন করছেন। উপজেলা ছাড়াও উপজেলার বাহিরে তারা বিভিন্ন কাজ করে থাকেন। কিন্তু করোনা ভাইরাস আতঙ্কে গ্রামে এবং বাহিরে কোথাও কাজের জন্য যেতে পারছেন না। অথচ এনজিওগুলোকে ঠিকই কিস্তি দিতে হয়। এখন কিস্তি আদায় বন্ধ হওয়ায় তারা স্বস্তি পেয়েছেন।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন জানান, যারা এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তাদের কিস্তি দিতে অসুবিধা হচ্ছিল। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় করোনা পরিস্থিতি শিথিল না হওয়া পর্যন্ত এনজিগুলোকে কিস্তি আদায় না করতে নির্দেশ দিয়েছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক।