করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৫ বছর বয়সী এক নারী নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছেন পালিয়ে গেছেন। আবার কেউ বলছেন হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছেন।
ওই নারী একটি বেসরকারি হাসপাতালের আয়া। রবিবার (২২মার্চ) সন্ধ্যার পর তাকে হাসপাতালে প্রথমবারের মতো ভর্তি করা হয়। পরে তিনি চলে যান। সোমবার রাত ৮টার পর আবারো তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসলে পুনরায় তাকে ভর্তি করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ১০টা) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ওই নারীকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান। তবে হাসপাতালের একটি সূত্র বলছে, তিনি আইসোলেশনে আছেন।
এই ঘটনার পর ওই রোগীর দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়েও। কারো গাফিলতি না থাকলে কিভাবে একজন করোনা সন্দেহভাজন পালিয়ে গেলেন, বিভিন্ন মহল থেকে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, রবিবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ৪৫ বছর বয়সী এক নারীকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি হাসপাতালে আসলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আইসোলেশন ইউনিটে থেকে রবিবারই পালিয়ে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে আবারো ওই নারী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসলে তাকে ভর্তি করে আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়। তবে চিকিৎসকদের একটি টিম তাকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহ না করায় হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআর