করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি থাকায় খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জীবন আজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা দেশের সবচেয়ে বড়ো এই হাসপাতালে শত শত ডাক্তার এবং নার্স প্রতিনিয়ত সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ছাড়া কাজ করছেন এবং হাজার হাজার রোগীর চিকিত্সা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে তারা আবার খালেদা জিয়ারও চিকিত্সা করছেন। সুতরাং যে কোনো সময় এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। যা ডাক্তার, নার্সসহ খালেদা জিয়ার জীবন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে। মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন দেশ কারাবন্দিদের মুক্তি দিচ্ছে। এ অবস্থায় খালেদা জিয়ার জীবন রক্ষার্থে শিগগির তার মুক্তি দাবি করছি। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

ব্যারিস্টার খোকন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বয়স ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে। বিভিন্ন রোগ ছাড়াও বয়সজনিত শারীরিক বিভিন্ন জটিলতায় তার শারীরিক অবস্থার দিন দিন অবনতি হচ্ছে এবং তিনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও হারাচ্ছেন। চিকিত্সকরাও বলছেন, করোনা ঝুঁকিতে রয়েছেন বয়স্করা। সেই দিক বিবেচনা করে খালেদা জিয়াকে এখনই মুক্তি দেওয়া উচিত। এর আগে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়া একজন দণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি। তিনি কোনো সাধারণ কারাবন্দি নন। এখন করোনা ভাইরাসের ইস্যু উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করা তার আইনজীবীদের রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়।