গত ১ মার্চ থেকে বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এতে আবাসিক বিদ্যুতের বিল গড়ে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। সর্বনিম্ন স্তরে বিদ্যুতের মূল্য মাত্র ২ শতাংশ অর্থাত্ ইউনিট প্রতি ৭ পয়সা বাড়লেও ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারীর মোট বিল ২৪৫ টাকা থেকে ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে ২৭৮ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাত্ বৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এতে ছোটো বড়ো পাইকারি হারে সকল গ্রাহকের মিটার ভাড়া ২০ টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে ৪০ টাকা এবং ডিমান্ড চার্জ ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যাদের একাধিক মিটার রয়েছে তাদের মেইন মিটারের ভাড়া এক লাফে ১০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে। প্রসঙ্গত উলেখ্য, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক তথাকথিত শুনানি অনুষ্ঠানের কয়েক দিন আগে কমিশন, বিদ্যুত্ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংস্থার চেয়ারম্যান, রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি বরাবর ই-মেইল পাঠিয়ে মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ পুরোপুরি প্রত্যাহার করার জন্য আবেদন জানাই। কিন্তু দেখা গেল পিডিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো ও পলি বিদ্যুতের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও সিস্টেম লসের দায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাঁধে চাপিয়ে মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জের মতো ভুয়া খাতে মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিষয়টির প্রতি সরকারের উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ পুরোপুরি প্রত্যাহার করার আবেদন জানাচ্ছি।
ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ
৫৭০/১-বি, সেনপাড়া-পর্বতা, ঢাকা ১২১৬