ঘরে থাকার নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে না
বরিশাল অফিস
করোনা সংক্রমণ এড়াতে লঞ্চ-বাসের পর এবার থ্রি হুইলারসহ সব ধরনের যান্ত্রিক যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বরিশালে। কিন্তু নির্দেশ উপেক্ষা করে মিনিট্রাক, মালবাহী ড্রাম ট্রাকে করে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকে। পায়েচালিত কিছুসংখ্যক রিকশা পাওয়া গেলেও ভাড়া কয়েক গুণ। এতে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তারা পায়ে হেঁটে দীর্ঘ পথযাত্রা করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। এদিকে সরকার সবাইকে নিজ নিজ বাসায় থাকতে বললেও বুধবার অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা ছিল খোলা। তাই অফিস এবং ব্যক্তিগত জরুরি প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়েই বাইরে বের হয়েছেন সাধারণ মানুষ। বরিশালের জেলা প্রশাসক বলছেন, করোনা সংক্রমণ এড়াতে সরকার সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ বাসায় থাকতে বলেছেন। এর পরও অনেক মানুষ অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাফেরা করছেন। আইন প্রয়োগ করে তাদের ঘরে থাকতে বাধ্য করার কথা বলেন তিনি। বরিশাল থেকে স্থানীয় এবং দূরপাল্লার লঞ্চ-বাস বন্ধ করে দেওয়া হয় মঙ্গলবার। তার পরও বুধবার ঢাকা থেকে বাসে বরিশাল এসেছেন শত শত যাত্রী। বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান জানান, সরকার গণপরিবহন ও মার্কেট বন্ধ এবং জনগণকে নিজ নিজ বাসায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশের পরও কিছু মানুষ অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাফেরা করছেন। প্রয়োজনে তাদের ঘরে থাকতে বাধ্য করা হবে। সরকারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে বরিশালে সেনাবাহিনী টহল শুরু করেছে বলে তিনি জানান।