ফটিকছড়িতে বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিত্সক উপস্থিতি কমে যাওয়ার অভিযোগ

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

করোনা আতঙ্কে ফটিকছড়ির বেসরকারি চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে ফটিকছড়িতে মোট ছয়টি ক্লিনিক এবং ২০টির মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এসব ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতিদিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ডাক্তার আসতেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে অধিকাংশ ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে ডাক্তারদের আসা আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। কোনো কোনোটিতে দুয়েকজন ডাক্তার এলেও যদি কোনো সর্দি, কাশি, জ্বর নিয়ে রোগী আসেন তাহলে করোনা আতঙ্কে এসব রোগী থেকে ডাক্তাররা অনেক দূরে থাকছেন বা দায়সারাভাবে বলে দিচ্ছেন ‘মেডিক্যালে নিয়ে যান’। সেই সঙ্গে ক্লিনিকগুলোতে কর্মরত নার্সরা করোনার ভয়ে কেউ ছুটি নিয়ে চলে গেছেন, কেউবা এমনিতেই কাজে আসছেন না। সরেজমিনে অনুসন্ধান এবং হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে গত ২৪ মার্চ ফটিকছড়ি প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিনের সঙ্গে দেখা করে ডাক্তার ও  নার্সদের হাসপাতালে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। এ বিষয়ে তার নির্দেশনা চান। এ সময় সংগঠনের সভাপতি ফটিকছড়ির মেয়র আলহাজ মো. ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি নাজিরহাটের মেয়র এস এম সিরাজ-উদ দৌলাসহ নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিন জানান, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাধান করা হবে।