ইত্তেফাক রিপোর্ট
আজ থেকে টানা ১০ দিন বন্ধ থাকবে দেশের শেয়ারবাজার। বন্ধের আগের শেষ কার্যদিবস গতকাল বুধবার শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা গিয়েছে। বড়ো এ বন্ধের আগে গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। তবে গত কয়েকদিনের মতো গত কয়েকদিনের মতো গতকালও বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত শেয়ারবাজার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৯ মার্চের আগে আজ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র ও শনিবার হওয়ায় এ তিন দিনও শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে। আর পরে ৩ ও ৪ মার্চ দুই দিন সাপ্তাহিত ছুটি থাকবে। এ মিলিয়ে ১০ দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্ধারণ করা নতুন সার্কিট ব্রেকারের কারণে গতকাল বাজারে ঊর্ধ্বমুখীভাব দেখা গেছে। অব্যাহত দরপতনের হাত থেকে শেয়ারবাজার রক্ষা করতে গত বৃহস্পতিবার নতুন সার্কিট ব্রেকার চালু করা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন শুরু হবে শেষ পাঁচ কার্যদিবসের ক্লোজিং প্রাইসের গড় মূল্য দিয়ে। এর নিচে কোনো কোম্পানির শেয়ার দাম নামতে পারবে না। তবে দাম বাড়ার সীমা আগের মতোই থাকবে।
গতকাল ডিএসই লেনদেনে অংশ নেওয়া ৯৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩৬টির। যে পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়েছে তার থেকে বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়ে যাওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ বেড়েছে দশমিক ৭ পয়েন্ট। আর ডিএসই শরিয়াহ বেড়েছে ৩ পয়েন্ট। গতকাল লেনদেন হয়েছে ৩৪৮ কোটি ১৩ লাখ টাকার। যা আগের দিনের চেয়ে ২০৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বেশি। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে ৭৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১১২ কোটি ৬ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০টির। আর ১১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।