করোনা ভাইরাসে অধিক সংক্রমণের আশঙ্কায় সারা দেশে অফিস-আদালত বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে গণপরিবহন ব্যবস্থাও। শুধু জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা আছে। এই অবস্থায় টেলিফোন ও ইমেইলে পাঠকগণ যে অভিমত প্রকাশ করেছেন, তা আজ প্রকাশিত হলো
আমাদের সবার মনে রাখা প্রয়োজন, যতই খারাপ সময়ের মধ্যে আমরা যাই না কেন, জীবনের কোনো কিছুই যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি এই দুর্যোগকালও একসময় না একসময় শেষ হবে। জীবনের কোনো কিছুই এককভাবে সম্পূর্ণ নেতিবাচক নয়। জীবন অনেক সময় আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু কেড়ে নেয় সত্যি, কিন্তু আমাদের জীবন একই সঙ্গে আমাদের আবার ঘুরে দাঁড়ানোরও সুযোগ করে দেয়। সামনের চলার পথ সব সময়ই খোলা থাকে। তাই আসুন, করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হই।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ঘনীভূত হচ্ছে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক। যত দিন গড়াচ্ছে, করোনা ভাইরাসের হানায় সন্ত্রস্ত হচ্ছে গোটা দুনিয়া। এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে লকডাউন। তবে সবখানে আতঙ্ক। বাংলাদেশে সংক্রমণের চেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশি; সতর্কতা কম। রোগব্যাধি নিয়ে আতঙ্ক নয়, দরকার হলো সতর্কতা, সচেতনতা ও সাহস। যেভাবেই করোনা ভাইরাস ছড়াক না কেন, শুধু সরকারের পদক্ষেপের ওপর ভরসা করে থাকলেই চলবে না, জনগণকেও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। সতর্কতা ও সচেতনতার জন্য দরকার প্রস্তুতি ও প্রতিরোধ। প্রতিরোধের জন্য দরকার কার্যকর সামাজিক বিচ্ছিন্নতা। তাই লকডাউনকে ঈদের ছুটি মনে করলে চলবে না।
মো. জিল্লুর রহমান
গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
স্বজন আপন, রোগ আপন নয়। সুতরাং নিজেদেরকে সতর্কতার সঙ্গে চলতে হবে। করোনা ভাইরাস লোকদের সংস্পর্শে আসা থেকে বিরত থাকতে হবে। আমাদের দেশে অনেক সময় অনেক প্রকার ছোঁয়াছে রোগ হয়েছিল। ১৮৪২ সালে যক্ষ্মা রোগ ছাড়িয়ে পড়েছে। তখন প্রবাদ ছিল যার হয় যক্ষ্মা, তার নেই রক্ষা। কিন্তু বর্তমানে এ রোগ শনাক্ত হওয়ার পরে চিকিত্সায় অতিদ্রুত সেরে ওঠে। কোনো বাড়িতে কোনো লোকের যক্ষ্মা রোগ হলে, সেই বাড়ির আশপাশ দিয়ে কেউ যেত না। এমনকি ঐ লোকের যক্ষ্মায় মৃত্যু হওয়ার পর তার ব্যবহারিক কাপড় ও নিজস্ব ব্যবহূত জিনিসপত্র কেউ ব্যবহার করতো না। পুড়ায় ফেলত অথবা মাটিতে পুঁতে ফেলত। এখন যক্ষ্মা একটি নিরাময় রোগ। করোনার ক্ষেত্রেও একসময় তাই হবে বলে আশা করি।
খন্দকার কামরুজ্জামান
মিরপুর, ঢাকা
করোনা ভাইরাসের কারণে একটু ভয় তো লাগছেই। যতটুকু নিজেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব সেভাবে চলাফেরা করছি। আমি বাসায় থাকছি আবার প্রয়োজনে বেরও হচ্ছি। হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ব্যবহার করছি। আমি মনে করি করোনা ভাইরাস, এটা অনেক বড়ো একটা সমস্যা। নিজেকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করতে হবে। হাত ধোয়া থেকে শুরু করে মাস্ক পরাসহ যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে তা মেনে চলতে হবে।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা
কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় যদি আপনার মধ্যে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া না যায় তাহলে তা আপনার জন্য সুসংবাদ! কিন্তু যদি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে আর কোয়ারেন্টাইনে না থেকে নির্ধারিত চিকিত্সা কেন্দ্রে চলে আসুন। তা না হলে আপনার মাধ্যমে আক্রান্ত হতে পারে আপনার পুরো পরিবার; এমনকি আপনার সংস্পর্শে যারা আসবে, তারাও এ থেকে রেহাই পাবে না। এ মহামারি প্রতিরোধে নির্দিষ্ট নিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান।
বিলকিছ আক্তার
সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল
বিদেশফেরত প্রবাসীরা স্বাভাবিকভাবেই গ্রামগঞ্জে হাটে-বাজারে ঘুরছেন। সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। তবে আমরা আশা করব, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগামী অন্তত ২ সপ্তাহ সর্দি-কাশি ও জ্বর আক্রান্ত কেউ যাতে মন্দির, মসজিদ, মন্দির গির্জায় বা সামাজিক অনুষ্ঠানে না যান তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
অ্যাড. রবিউল হোসেন রবি
মতিঝিল, ঢাকা
বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে গোটা দেশে আরো আগেই লকডাউন বা বন্ধ ঘোষণা করা উচিত ছিল। ছুটি বা বন্ধের অর্থ এই নয় যে বাজারে বা রাস্তাঘাটে জটলা পাকানো বা ঘোরাঘুরি করা। দল বেঁধে হুড়মুড় করে বাস টার্মিনাল বা নৌঘাটে গিয়ে গ্রামে যাওয়ার জন্য ভিড় না করে যে যেখানে থাকেন সেখানেই নিজেকে লকডাউন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
মোহাম্মদ শহীদউল্যা
সিপাহীবাগ, ঢাকা
সবার প্রতি আহ্বান, সামাজিক স্বার্থেই সবাইকে সামান্য অসুবিধা মেনে নিতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষার মাধ্যমে সর্বব্যাপী এই ভাইরাসকে মোকাবিলা করতে হবে। এছাড়া করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তওবা করার আহ্বান জানাই।
সুলতানা জামান
মানিকনগর, ঢাকা
মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রেষ ভালোভাবেই ছড়িয়েছে। আতঙ্কে অনেকেই এরই মধ্যে নিজেদের ঘরবন্দি করেছেন। আমাদের কথা হচ্ছে সবপেশার জন্যই অঙ্গীকার ও একটি জরুরি বিষয় হলো আমরা কেউ কাউকে দোষারাপে না করে সকলের এক হওয়া চাই। করোনা লড়াইয়ে আন্তরিক ও সবাইকে সক্রিয় হতে হবে।
সোহাগ
নবাবগঞ্জ, ঢাকা
বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক ছড়াচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। জ্বর, হাঁচি কাশি ইত্যাদি নিয়ে যেখানে সেখানে ঘোরাফেরা করা যাবে না। সাবধানতা ও সচেতনতার বিকল্প নেই। দেশের দুর্যোগ সময় মোকাবিলায় বিষয়টি কঠিন হলেও দিনে এনে দিনে খায় এমন স্বল্প আয়ের মানুষ কঠিন বিপদের মধ্যে পড়েছে। তাদের জন্য সত্যি বিষয়টি মর্মান্তিক। যারা অবস্থা সম্পন্ন মানুষ তাদের উচিত তাদের প্রতি সাহায্য-সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। সদা-সর্বদা হাত-পা, মুখমণ্ডল সাবান দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। খাবারের আগে হাত ধুতে হবে। বিষয়টি বহু আগে থেকেই বলা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে আমরা তা পালন করি না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ। তাই আমাদের সর্বদা ইমানকে ঠিক রেখে উক্ত কাজগুলোর প্রতি কড়া নজর দিতে হবে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
করোনা ভাইরাসের কারণে দেশ আজ শঙ্কিত। এ কারণে প্রায় সব জায়গায় লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। আতঙ্ক এত তীব্র হতো না, যদি বিদেশফেরত যাত্রীরা নিজ উদ্যোগে কোয়ারেন্টাইনে যেত। এখন পত্রিকার মারফত জানা যাচ্ছে অনেকে ভুয়া ঠিকানা দিয়ে বিদেশে গিয়েছিলেন। তারা দেশে আসার পর তাদের ঐ এলাকায় আর পাওয়া যায়নি। ফলে আতঙ্ক বেড়েছে।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
বাংলাদেশের মাঠে-ময়দানে নামানো হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীকে। এই দুর্যোগ সময়ে তাদেরকে নামানো হয়েছে জনসেবার কাজে নিয়োজিত রাখার জন্য । তাদের দীর্ঘ দিনের সুনাম অটুট থাকবে, এমন প্রত্যাশা দেশবাসীর।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
সচেতনতা এবং সাবধানতা অবলম্বন করোনার বিস্তার রোধ করতে পারে। বারবার হাত ধোয়া, হাত পরিষ্কার রাখা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, যেখানে সেখানে থুথু, কফ না ফেলা, নিয়ম মেনে কাশি দেওয়া, হাঁচি দেওয়ার সময় টিস্যু, রুমাল, কনুই ব্যবহার করা। এগুলো হলো ব্যক্তিসচেতনতা। শুধু আপনি, আমি নই, আমাদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বাসার কাজের লোক, দারোয়ান, কেয়ারটেকার, মালি—সবাইকে এটা মানতে হবে। নিজে সচেতন, সাবধান থাকলে হবে না। সবাইকে সচেতন, সাবধান থাকতে হবে। সমন্ব্বিত সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। আপনি একা সচেতন থাকলেন। তাতে রেহাই পাবেন না। অন্যদের দ্বারা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। সেটা অফিস, আদালত অন্য কোথাও হতে পারে। সামগ্রিকভাবে পরিবেশ নিরাপদ,পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিদেশ থেকে কেউ এলো। তাকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখুন। আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও রাখুন। অন্য যতজন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়—প্রায় সবাই বিদেশ থেকে আসা মানুষদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বনানী, ঢাকা
করোনাকে একটি মহামারি রোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার প্রভাব ইউরোপের দেশে বিস্তার করলেও এর তাপ বাংলাদেশ অনুধাবন করতে পারছে। ফলে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ৪৪ জন মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে, পাঁচ জন মানুষ মারা গেছে (সূত্র :আইডিসিআর)। কেউ কেউ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেও যাচ্ছে। এতে অর্থনীতি, শিক্ষা প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিঃসন্দেহে। তবে মানুষ যদি সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারে, তাহলে ইনশাল্লাহ দেশের এই অর্থনৈতিক ক্ষতিও সামাল দেওয়া যাবে বলে আমরা আশা করি।
ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতার জন্য দেশ জুড়ে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। সেজন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাই। গণপরিবহণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি অফিস বন্ধসহ অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জনস্বার্থে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমাতে হরে। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সবার আগে আজ এটাই প্রমাণ করতে হবে।
মো. মারুফুজ্জামান মারুফ
খিলগাঁও, ঢাকা
করোনো ভাইরাস নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি বাংলাদেশে নেই বললেই তো হবে না, অনেকে তো ভয়ে জ্বর হলেও হাসপাতালে যায় না। আর অনেকে করোনা ভাইরাসের জন্য সরকার যে বন্ধ দিয়েছে তাকে ছুটির সময় মনে করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেককে কোয়ারেন্টাইনের ১৪ দিন বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে কিন্তু কে কার কথা শুনে। তারা কেন বাড়ি থেকে বের হবে , তাদেরকে কেন মনে করিয়ে দিতে হবে, এটা তাদের দায়িত্ব। কেননা তাদের জন্য অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে।
সাদিয়া সুলতানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাভার, ঢাকা
করোনা ভাইরাস অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে হওয়ায় একই হাসপাতালে অন্যান্য রোগী ও কারোনা ভাইরোসের আক্রান্ত রোগীদের একই সাথে চিকিত্সা দেয়া ঝুঁকিপূর্ণ বটে। অন্যদিকে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করাই একমাত্র করণীয় নয়, মহামারি সম্ভাব্য বিস্তার দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলাসহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এখনই নেয়া প্রয়োজন।
আইরিন সুলতানা সন্জু
মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম
বিশ্বের ১৭০ কোটি মানুষ এখন ঘরবন্দি। করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই।
মো. শহীদুল ইসলাম
মধ্যপাড়া, বগুড়া
সবচেয়ে মোক্ষম পদক্ষেপ হচ্ছে, ‘সামাজিক দূরত্ব’ সৃষ্টি। এজন্য সরকার ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকারি-বেসরকারি সব দপ্তরের জন্য। ‘সামাজিক দূরত্ব’ ঠিক রাখতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী। এসব ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করি। তবে করোনা দুর্যোগের সময় কয়েকটি শ্রেণি-পেশার মানুষ খুব কষ্টে থাকবে। এদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের বেশির ভাগ মানুষ অপ্রচলিত সেবা খাত বা অপ্রাতিষ্ঠানিক পেশার সঙ্গে যুক্ত। এদের অনেকেই কাজ করে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে। অনেকে রিকশা চালায়, কেউ বাসাবাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করে, কেউ বাদাম, শরবত, ঝালমুড়ি ইত্যাদি বিক্রি করে। এসব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা ভাবতে হবে সরকারকে।
আইনুল হক
সৈয়দপুর, নীলফামারী