ইত্তেফাক-এর ৬৬ বছর

ছিষট্টি বছরে পা রাখল ইত্তেফাক। আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে অচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছে ইত্তেফাক-এর ভূমিকা। বিশিষ্টজনরা বলছেন, বাংলা ভাষার একটি পত্রিকার সগৌরবে এই দীর্ঘ সময় টিকে থাকা মোটেও সামান্য ব্যাপার নয়। আমাদের পাঠকগণও কি তাই মনে করেন? টেলিফোনে ও ই-মেইলে পাওয়া পাঠকদের সেসব মতামত আজ প্রকাশিত হলো

আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন পোস্ট অফিসে যে পত্রিকা আসত সেটি ছিল ইত্তেফাক। যিনি গ্রাহক ছিলেন তিনি পত্রিকা পড়ার পর সবাইকে পড়ার জন্য পত্রিকাটি দিয়ে দিতেন। আমরা মনে করতাম বাংলাদেশে একটি পত্রিকাই আছে, কারণ অন্য কোনো পত্রিকা তখন আসত না। ইত্তেফাক আমাদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা। যতগুলো রাজনৈতিক আন্দোলন পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত হয়েছে তার মধ্যে ইত্তেফাকের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত  গুরুত্বপূর্ণ। ইত্তেফাক ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে একইভাবে বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ এবং গণতন্ত্রের সপক্ষে সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। তাই আমাদের বিশ্বাস ইত্তেফাক আরো বহুদিন এই ধারায় পাঠকের চাহিদা মিটিয়ে যাবে।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাস থেকে ইত্তেফাক ও মানিক মিয়ার নাম বাদ দেওয়া যাবে না। ইত্তেফাকের মাধ্যমে দেশের সাংবাদিকতা যে ভিত্তি পেয়েছে, সেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নিতে হচ্ছে। ইত্তেফাকের মাধ্যমে মানিক মিয়া পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছেন। একই সঙ্গে জাতিকে মুক্তিসংগ্রামের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন।   

অমিত বণিক

উত্তরা, ঢাকা

ইত্তেফাক মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন গণমানুষের কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছিল, নবীনদের অবারিত সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে সময়কেও ধরতে পেরেছে।

সাদিক-উর-রহিম

ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ

বস্তুনিষ্ঠ, সত্য ও সঠিক সংবাদ প্রচার করার কারণেই ইত্তেফাক এত দীর্ঘসময় ধরে টিকে আছে এবং এই ধারা অব্যাহত রাখলে আরো শতাব্দী বছর ধরে টিকে থাকবে, সেই প্রত্যাশা করি।

কামাল হোসেন

জগন্নাথদী, মধুখালী, ফরিদপুর

ইত্তেফাককে মনে করা হয় বাংলাদেশের পত্রিকা জগতের লাইভ আর্কাইভ। বিগত প্রায় সাত দশক ধরে বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবিকে ব্রডশিট নিউজপ্রিন্টে বন্দি করে চলেছে প্রাচীন এই জাতীয় পত্রিকাটি। রাস্তাঘাটে, বাজারে-বন্দরে চলার পথে কারো হাতে ইত্তেফাক দেখলেই বড় আপনজন মনে হয় তাকে। ইত্তেফাক পরিবারের সদস্য ভাবতে নিজেকে ধন্য মনে করি।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর

বিদ্যমান সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইসহ আরও সতর্কতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুক পত্রিকাটি। পত্রিকাটির প্রতিটি পাতায় আমাদের নিজ এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনাসহ সারা দেশের প্রত্যেকটা খবর আমরা পড়তে চাই। তাহলে এর মাধ্যমেই পত্রিকাটির সঙ্গে পাঠকের সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে বলে আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি।

মোছা. বিলকিছ আক্তার

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

ইত্তেফাকের ৬০ বছরের পাঠক হিসেবে আমি ইত্তেফাকের সকল শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। মরহুম সাংবাদিক মানিক মিয়া, মজলুম জননেতা এবং মানিক মিয়ার সহধর্মিণীসহ মরহুম সকল কলাকুশলীদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছাসহ সবার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাতিলে জন্য ঢাকা ছাত্র মিছিলে গুলি, ৬ দফা আন্দলোন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণসহ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সব চিত্র দেখেছি ও পাঠ করেছি।

 খন্দকার কামরুজ্জামান

উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

চল্লিশ বছর ধরে ইত্তেফাক পড়ি, নব্বইয়ের দশক থেকে লিখি, লেখার হাতেখড়িও ইত্তেফাকে। অনেকে বলেন, আপনার ‘ইত্তেফাক’! আমি বলি প্রতিদিন ও বারো মাস পড়বার পত্রিকা ‘ইত্তেফাক’। কারণ ইত্তেফাক নিজেকে মেলে ধরছে সত্য, সাহস ও নতুনত্বের চমত্কারিত্বে।

মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ

সহকারী অধ্যাপক, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, গাজীপুর

দৈনিক ইত্তেফাক বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজকের পর্যায়ে এসেছে। এই যাত্রাপথে যার অবদান অনন্য তিনি হলেন এ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক মরহুম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। তদানিন্তন পাকিস্তানের স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট যখন পত্রিকাগুলোর সংবাদ প্রকাশে নিয়ন্ত্রণ জারি করল তখন একমাত্র ইত্তেফাকই তার প্রতিবাদে প্রথম পাতায় একটি মাত্র হেডিং ‘কিছুই লেখা গেল না’ বলে যা জানাবার জানিয়ে দিয়েছিল এবং জনগণও যা বুঝার বুঝে নিয়েছিল। বাঙালির মুক্তিসনদ ৬ দফা জনগণের ধারে তথা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ইত্তেফাক যে ভূমিকা পালন করেছিল তা আজ ইতিহাস। সত্তরের নির্বাচন এবং পরবর্তী পর্যায়ে স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি ইত্তেফাকের অবদান ভুলবার নয়। আমরা ইত্তেফাকের আজীবন সাফল্য কামনা করছি।   

ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

 চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

ইত্তেফাক বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভীক সাংবাদিকতার হাতিয়ার। বর্তমান সংবাদপত্র জগতের স্বর্ণযুগ। আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে মিশে আছে ইত্তেফাক এর ভূমিকা। ইত্তেফাক এগিয়ে চলুক আপন মহিমায়।

রাসেল আহমেদ

মুগদা, ঢাকা

ইত্তেফাকের ভূমিকা এই উপমহাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে একটি অতি উজ্জ্বল অধ্যায়। ইত্তেফাক পরিবারের সবার প্রতি রইল ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।

মো. সিকান্দার আলী সাগর

কনকর্ড টাওয়ার, শান্তিনগর, ঢাকা

দৈনিক ইত্তেফাক বিগত ১০ বছর যাবত্ আমি রাখি এবং পড়ি। এই পত্রিকাটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে অবদান রেখেছে তার ভূমিকা অসীম। অত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

মো. আব্দুল কুদ্দুস

প্রভাষক, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী

সেই জন্মের পর জ্ঞান হবার পর থেকে শুনেছি দৈনিক ইত্তেফাক-এর নাম। এরপর শৈশব থেকে শুরু হয়ে যায় এর নিয়মিত পাঠক। এখনো আমার অস্থিমজ্জায় দৈনিক ইত্তেফাক। তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ক্ষুরধার কলাম অন্যদিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আদর্শের অব্যাহত উত্সাহ ও অনুপ্রেরণাই ছিল ইত্তেফাকের পাথেয়। সুতরাং দৈনিক ইত্তেফাক এর বিকল্প নেই। ইত্তেফাক অমর, চিরভাস্বরময় পত্রিকা।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা, বাঙালির ঐতিহ্য, সবকিছুতে ইত্তেফাকের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। ইত্তেফাকের সঙ্গে কারোরই তুলনা চলে না।

এস কে মো. রমিজউদ্দিন

আয়কর আইনজীবী, পুরানা পল্টন, ঢাকা

স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বহুমুখী সংগ্রামের সঙ্গে ইত্তেফাকের নিবিড় সম্পর্ক। ইত্তেফাক বিশ্বের বুকে এক অনুকরণীয় প্রয়াস।

মো. আবদুল রাজ্জাক নাছিম

নির্বাহী পরিচালক, স্বাধীন জীবন

বাংলাভাষার একটি পত্রিকা সুনাম ও গৌরবের সঙ্গে ৬৬ বছর ধরে টিকে থাকা সামান্য কোনো বিষয় নয়। আজকের এই দিনে তাই প্রত্যাশা, দৈনিক ইত্তেফাক এগিয়ে যাক আপন মহিমায়।

বীথি রহমান

মতিঝিল, ঢাকা

ইত্তেফাক সত্যের কথা বলে এবং অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। দেশ ও দেশের জনগণের দুঃখ ও দুর্দশা নিয়ে কথা বলে থাকে ইত্তেফাক।

মো. রবিউল হোসেন

পুরানা পল্টন, ঢাকা

গত ৬৬ বছর ধরে দৈনিক ইত্তেফাকের রয়েছে অপরিসীম ভূমিকা। আমরা দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এর রক্তিম শুভেচ্ছা জানাই।

মো. শহীদুল ইসলাম (রয়েল)

নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া

ষাট দশকের বেশি সময় ধরে যারা ইত্তেফাককে অব্যাহতভাবে সহায়তা, সমর্থন ও প্রেরণা দিয়ে এসেছেন তাদের সকলকে জানাই গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।

হোসেন আরা করিম নীলা

হাজারীবাগ, ঢাকা

১৯৬২ সন থেকে আমি ইত্তেফাক পড়ি। এর মধ্যে যখন দেশের বাইরে যাই তখন আর পড়া হয়নি। এখনও আমি নিয়মিত পড়ি ইত্তেফাক। ইত্তেফাক আমার খুব প্রিয়। তাই নিয়মিতই আমি পড়ি।

ড. পি এন সরকার

প্লিতপাড়া, পিচ টাওয়ার, ময়মনসিংহ

কত পথচলা শেষ তার হিসাব নেই; অনিমেষ আশার সবুজ কুঁড়ি। বহুদিনের ক্লান্ত প্রহর আলো আঁধারের হাসি। ফুলের সুবাস গান শুভেচ্ছা শিশিরের শুভ জন্মদিন।

ফওজিয়া মুন্নী

ডিওএইচ এস, মিরপুর, ঢাকা

দৈনিক ইত্তেফাক—তোমাকে জানাই লাল গোলাপের শুভেচ্ছা। ইত্তেফাক কারোরই সঙ্গে নেই কোনো তুলনা, তুমি অসীম, তুমি আমাদের ভালোলাগার/ভালোবাসার পাত্র। দৈনিক ইত্তেফাকের ৬৬তে পর্দাপণে জানাই অনেক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

দৈনিক ইত্তেফাকের যে সুখ্যাতির ইতিহাস, আগামী দিনগুলোতেও তা যেন ম্লান না হয়। বস্তুনিষ্ঠ নিরপেক্ষ খবরাখবর প্রকাশে ইত্তেফাক যেন তার সুখ্যাতি ও সুনাম ধরে রাখতে যেন পিছপা না হয়।

আলহাজ্ব মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)

হাউজিং স্টেট, রাজশাহী

ইত্তেফাক-এর দীর্ঘকালীন অবস্থানই এখন শীর্ষস্থানীয় প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা। ইত্তেফাক-এর জনপ্রিয়তা মাঝে কিছুটা কমে আসলেও বর্তমানে তা আবার ফিরে এসেছে।

মো. আমির জোবায়ের খান মজলিস

সড়ক নং-৪, ধানমন্ডি, ঢাকা

বাংলাভাষা ও বাঙালিজাতির মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে দুর্দান্ত ভূমিকা রাখার জন্য ইত্তেফাক নিজেই একটি ইতিহাস। সংবাদপত্র জগতের কিংবদন্তি ইত্তেফাক। ইত্তেফাকের প্রতিদ্বন্দ্বী ইত্তেফাক নিজেই।

শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু

কালিহাতি, টাঙ্গাইল

স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে ইত্তেফাকের অসামান্য ভূমিকা। ইত্তেফাক দীর্ঘজীবী হোক, সেটাই কামনা করি।

মো. গোলাম মর্তুজা

রাজশাহী

স্বাধীনতার ১৯ বছর আগে থেকে এই পত্রিকা বাজারে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। স্বাধীনতার অনেক ইতিহাস প্রকাশিত হয়েছে এ পত্রিকায়। কত বিপদ-আপদ ঝড়-ঝাপটা সহ্য করে এই পত্রিকা আজও প্রকাশিত হচ্ছে!

ডা. মো. জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

আপন মহিমায় এগিয়ে চলেছে বহুল প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাক। আমাদের স্বাধীনতা এবং সংগ্রাম থেকে শুরু করে যতগুলো সংগ্রাম হয়েছে এদেশে ইত্তেফাকের ভূমিকা অনেক।

মো. ইফতেখার হোসেন লিটন

চরভৈরবী, হাইমচর, চাঁদপুর

দৈনিক ইত্তেফাক আমাদের ভালোলাগার-ভালোবাসার পত্রিকা। এতে সকল বিভাগের লেখা সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন।

সুগন্ধী

যাত্রাবাড়ী, ঢাকা