গৃহে আবদ্ধ মানুষ। ফাঁকা সড়ক, যেন নিস্তব্ধ গোটা নীলফামারী জেলা। জেলার ছয় উপজেলা ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর এবং সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও জেলা-উপজেলা প্রশাসন। জেলা ও উপজেলা শহর এবং প্রত্যন্ত গ্রামে সব কাঁচাবাজার, মুদি, ওষুধের দোকান ছাড়া অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক মানব দূরত্ব নিশ্চিতকরণে কঠোর নজরদারি করছে সেনা সদস্যরা। জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, রংপুরের শহিদ মাহবুব সেনানিবাসের সেনা সদস্যরা নীলফামারী জেলার দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও যেন জনসমাগম না হয় বা জনগণ যাতে অযথা বাইরে না বের হয়ে বাড়িতে অবস্থান করে, সে বিষয়ে তারা নজরদারি করছেন। মানুষকে করোনা সম্পর্কে বোঝাচ্ছেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জনগণকে বাড়িতে নিজে নিরাপদে থাকার ও অপরকে নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া করোনা আতঙ্ককে কাজে লাগিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম যেন কেউ বাড়াতে না পারেন সে বিষয়টি তারা নিশ্চিত করছেন। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করেই সেনা সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসনের ১৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন উপজেলায় কাজ করছে। অপরদিকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রিকশা, অটোরিকশা ও ভ্যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিদেশফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. রনজিত্ কুমার বর্মণ।