টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারী নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মাদকের চালান নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বিজিবি জওয়ানদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন জন অজ্ঞাত রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে। এ সময় বিজিবির তিন জওয়ান আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ইয়াবার বস্তা, দুইটি দেশি বন্দুক, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি খালি খোসা ও একটি ধারাল কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার রাতের প্রথম প্রহরে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন লেদা বিওপির ছুরিখাল পয়েন্ট দিয়ে মাদকের চালান আসার সংবাদ পেয়ে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল পোস্টের অদূরে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর চার-পাঁচ জন লোক একটি কাঠের নৌকাযোগে এসে বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে বিজিবি জওয়ানেরা চ্যালেঞ্জ করে। তখন তারা নৌকা থেকে নেমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি জওয়ানেরা তাদের পিছু ধাওয়া করে। তখন তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে নায়েক মঞ্জুর রহমান, সিপাহী খোরশেদ ও মাহমুদুল হাসান আহত হন। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলিবর্ষণ করলে তারা কেওড়া বন দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাতনামা তিন রোহিঙ্গাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চিকিত্সার জন্য টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত বিজিবি সদস্যদের প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে গুলিবিদ্ধদের উন্নত চিকিত্সার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে তাদের নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’

মাদক কারবারি নিহত

টেকনাফের হোয়াইক্যং তুলাখালী এলাকায় পুলিশ ও মাদক কারবারিদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে মুসা আকবর (৩৬) নামে এক মাদক কারবারি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছে। আহত হয়েছেন পুলিশের তিন সদস্য। ঘটনাস্থলে একটি দেশীয় অস্ত্র, ৬ হাজার ইয়াবা, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ছয়টি খালি খোসা পাওয়া যায়। নিহত মুসার মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। উপজেলা সদর হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।