যদি কোনো ব্যবস্থা হয় তাহলে আমরা শিগগিরই ফিরবো:সিয়াম

করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী বন্ধ শুটিং। লক ডাউনের ঘোষণার সঙ্গে সবকিছু বন্ধ করে ঘরে ফিরেছেন সবাই। এরমধ্যে সুন্দরবনে আটকে গেল ‘অ্যাডভেঞ্চার সুন্দরবন’-এর টিম। গত ১৪ মার্চ থেকে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সিয়াম আহমেদ, পরীমনি, তানভীর। তাদের সঙ্গে ছবিটিতে ১৪ জন শিশুশিল্পীও শুটিং করছেন। তারা ঢাকায় ফেরার চেষ্টা করছেন, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ফিরতে পারছেন না। এই প্রসঙ্গে সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘দেশের পরিস্থিতিতে সবাই যেমন বাসায় বন্দি রয়েছে তেমনি আমরাও লঞ্চে বন্দি রয়েছি। আমরা ফেঁসে গেছি। বাসায় যেতে পারছি না, কারণ সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সবাইকে যেখানে বাসায় থাকতে বলা হচ্ছে সেখানে আমরা অনেকদিন থেকেই বাইরে। এমতাবস্থায় বাসায় ফিরলেও সেটা কতটা সেফ, এটাও প্রশ্নাতীত! অনেকেই অনেক কথা বলেছেন দেখলাম। এমন না যে আমরা ইচ্ছা করেই এখনও শুটিং করছি। বলতে গেলে আমরা আটকে গিয়েছি। ফেরার কোনো উপায় নেই। যদি কোনো ব্যবস্থা হয় তাহলে আমরা শিগগিরই ফিরবো।’

সরকারি অনুদানে জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক জাফর ইকবালের ‘রাতুলের দিন রাতুলের রাত’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। ৫০ জনের বড় একটি ইউনিট নিয়ে সুন্দরবনে চলছে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং। গত ১৪ মার্চ সদরঘাট থেকে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে লঞ্চটি যাত্রা শুরু করে।

অভিনয়শিল্পী তানভীর বলেন, ‘আমরা যথেষ্ট সচেতনতা অবলম্বন করছি এবং সেফ থাকছি। আমরা যেহেতু করোনা ব্যক্তির সংস্পর্শে যাইনি কেউ বা বাইরের কেউ আমাদের এখানে আসেনি, তাই আমরা নিরাপদেই আছি বলা যায়। আমরা সারাক্ষণ লঞ্চেই থাকছি। স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি নিয়মিত। এক কথায় বলতে গেলে যতটুকু সেফটি থাকা যায়, সেভাবেই আছি এবং থাকছি। আমরা অন্য কারও সঙ্গে মিশছি না। সবাই যারা এখানে আছি কারও এ রোগের সংক্রামক নেই। বাচ্চারাও বেশ নিরাপদ আছে এখানে। নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই আমরা বারবার আলোচনা করছি, আমাদের করণীয় কী! এই মুহূর্তে শুটিং বন্ধ করে ঢাকায় ফেরাটা আমাদের জন্য কতটা সেফ! আর আমরা শুটিংকে খুব প্রাধান্য দিচ্ছি না, সেফ থাকছি। শুটিং যা করছি আসলে অনিচ্ছাকৃতভাবেই।’