করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নিদের্শনা মানছে না রাজৈর উপজেলার হাটবাজারের অনেক দোকানপাট। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার বিধান থাকলেও সাপ্তাহিক হাটের দিন থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিদিন রাজৈর ও টেকেরহাট বন্দরের বাজারে ভিড় করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। এর ফলে বাড়ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি। উপজেলার টেকেরহাট বন্দরে শনিবার ও বুধবার হাট বসে। টেকেরহাট বন্দরের হাট কুমার নদ দ্বারা বিভক্ত উত্তর ও দক্ষিণ পাড়ে সমাগম ঘটে হাজারো মানুষের। উত্তর পাড়ে রাজৈর ও মুকসুদপুর অংশে বিভিন্ন শস্যের হাট বসে। এ হাটে মাদারীপুর সদর রাজৈর, শিবচর, গোপলগঞ্জ সদর, কোটালীপাড়ার মুকসুদপুর কাশিয়ানী ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা এলাকার শতশত কৃষক ও ব্যবসায়ী শস্য ক্রয় ও বিক্রি করতে আসে। এরা প্রায় সবাই থাকে অরক্ষিত। এছাড়া গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ইঞ্জিনচালিত ভ্যান, ইজিবাইক ও মাহিন্দ্রা চলছে আগের মতোই। টেকেরহাট বন্দরে বিশেষ করে মহাজনপট্টিতে মহাজনী সব দোকানপাট খোলা থাকতে দেখা গেছে। টেকেরহাট কাঁচাবাজারে মহিলাদের উপচেপড়া ভিড় থাকে। টেকেরহাট বন্দরের সড়ক ও জনপথ অফিসের সামনে প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শ্রমবাজারের চিত্র প্রায় আগের মতোই।
এ ব্যাপারে ওসি শওকত জাহান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং বাজারে আগত মানুষদের বুঝিয়ে-শুনিয়ে ঘরে ফেরানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।’