মুন্সীগঞ্জে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৬৮১, মুক্ত ৩৫৭ জন

মুন্সীগঞ্জ জেলার ছয়টি উপজেলায় ৬৮১ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তাদেরকে বাড়িতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবস্থান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন তিন জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৫ জন। এই নিয়ে গেল কয়েকদিনে ৩৫৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইন সম্পন্ন করেছেন। জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানিয়েছেন, গত ১ মার্চ থেকে এপর্যন্ত মুন্সীগঞ্জে বিদেশ প্রত্যাগতদের সংখ্যা ৫ হাজার ৪৭৩ জন। এর মধ্যে এপর্যন্ত চিহ্নিত করা গেছে ৬৮১ জন।

প্রস্তুতি হিসেবে জেলায় সরকারি সাতটি হাসপাতাল এবং বেসরকারি ৩০টিসহ ৩৭টি হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে। সরকারি মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জেলায় বরাদ্দকৃত মোট ৭ লাখ টাকা এবং ১০০ টন চাল ছয়টি উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ের ৯৫০ পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে মুন্সীগঞ্জ এপেক্স ক্লাবসহ সেবামূলক বিভিন্ন সংগঠনও সাধারণের মাঝে মাস্ক, গ্লাভসসহ বিভিন্ন উপকরণ এবং খাবার বিতরণ করছে।

মুন্সীগঞ্জে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিতিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাজার মনিটরিংসহ বিভিন্ন সড়কে টহল দিচ্ছেন। লোকজনকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া যারা ঘরের বাইরে তাদের ব্যাপারে কঠোর মনোভাব দেখাচ্ছে প্রশাসন। মুন্সীগঞ্জ সদর, টঙ্গীবাড়ি, লৌহজং, শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও গজারিয়া উপজেলায় ইউএনও এবং এসিল্যান্ডসহ প্রশাসন মাঠে নেমেছে। জরুরি প্রয়োজনে যারা বের হচ্ছে, তাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকার জন্য অনুরোধ করছেন। রবিবারও মুন্সীগঞ্জ শহর ছিল একরকম ফাঁকা। রাস্তায় লোকজনও কম দেখা গছে। মুদি দোকান, কাঁচাবাজার, ফার্মেসি ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। অন্য দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন ও নৌপরিবহন বন্ধ রয়েছে।