রাজধানীর অদূরে গাজীপুরে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট লিমিটেড। সেখানে রয়েছে ১০০টির উপরে সুসজ্জিত কক্ষ। রিসোর্টটির অংশীদার বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অবসরপ্রাপ্ত) মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম। তিনি করোনা পরিস্থিতিতে রোগীদের কোয়ারেন্টাইনের জন্য এ রিসোর্টটি প্রায়োজনীয় সময়ের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে দেওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেছেন ।
প্রাপ্ততথ্যে জানা যায়, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে আট কিলোমিটার দূরে শালবনের ভেতরে রিসোর্টটির অবস্থান। প্রায় ৮০ বিঘা জমি নিয়ে যৌথ মালিকানায় এটি গড়ে তোলা হয়েছে। বনের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ন রেখেই এখানে পরিকল্পিতভাবে আরো বনায়ন করা হয়েছে। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে ৫৭টি কটেজের মধ্যে ১৪টি ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে। যাতে মোট ১০০টির অধিক সুসজ্জিত কক্ষ আছে। এছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি মাটির ঘর। যার প্রতিটি রুম ব্যবহার করা যাবে।
এ ব্যাপারে রিসোর্টটির চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম বলেন, একাত্তরে দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে যুদ্ধ করেছিলাম। এটাও (করোনা পরিস্থিতি) এক ধরনের যুদ্ধ এবং আমাদের সবারই যে যার অবস্থান থেকে এ যুদ্ধে শামিল হতে হবে। ইনশাল্লাহ আমরা বিজয়ী হবো। মানবতার জয় হবে।
তিনি আরো বলেন, মানুষ ভয় পেয়ে গেছে। তাই জনবহুল এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে কোয়ারেন্টাইন করতে গেলেই বাধা দিচ্ছে। কিন্তু শহর থেকে দূরে এ ধরনের আরো রিসোর্ট আছে যেগুলোর মালিকরা চাইলেই সরকারকে দিয়ে সাহায্য করতে পারে। কারণ এ অবস্থায় এমনি রিসোর্টগুলোর ব্যবসা হবে না। সুতরাং সরকার ও অসুস্থ রোগীদের সাহায্য করার এটা একটা সুযোগ। আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও যেন উত্সাহিত হয়, তাই এই উদ্যোগ নেওয়া।